Categories
BBlog

কন্টেন্ট রাইটিং কি? কত প্রকার এবং এর উল্লেখযোগ্যক্ষেত্র

কন্টেন্ট কিংবা আর্টিকেল যেটাই বলি না কেন দুইটারই অর্থ কিন্তু আমরা সবাই জানি আর এই দুইটাই কিন্তু লিখার অভিজ্ঞতা আমাদের সবারই আছে।


জি, অবাক হবার মত কিছু আমি বলিনি। আমার মতো আপনারও নিশ্চই এস এস সি আর এইচ এস সি তে ইংরেজি ছিল আর সেখানে আপনারাও নিশ্চই ফেমিনিজম, মাই মম, গ্লোবালাইজেশন কিংবা দা গ্রেট ওয়ারিয়র অফ অল টাইম এর উপর পরীক্ষার খাতায় এসে (প্রবন্ধ) লিখেছেন। তারপরেও আজ একটু ভিন্য ভাবে আমরা এর সাথে পরিচিত হবো। একটু ভিন্য ভাবে হবার কথা বলছি একারণেই যে এই কন্টেন্ট রাইটিং এর সাথে টাকা পয়সার একটা ব্যাপার আছে।


টাকা পয়সার ব্যাপার টা নিয়ে অন্য একদিন আলোচনা করা যাবে। আজকে চলুন কন্টেন্ট কে একহাত দেখে নেই। কন্টেন্ট এর বাংলা অর্থ হলো বিষয়বস্তু আর এর অর্থের সাথে এর পরিচয়ের পুরোপুরি মিল রয়েছে। আমরা ইউটিউবে যে ভিডিও গুলো দেখি সেগুলোও কন্টেন্ট। সেগুলো হলো একটা ইউটিউব চ্যানেলের ভিডিও কন্টেন্ট।


ঠিক তেমন, আমরা ফেসবুকের রাইটিং হ্যাক্স গ্রূপের যে লিখাটি এখন পড়ছি সেটাও ফেসবুকের একটা কন্টেন্ট, টেক্সট কন্টেন্ট। ফেসবুকে অনেক ধরণের কন্টেন্ট আছে, যথা: টেক্সট কন্টেন্ট, স্লাইড কন্টেন্ট, লাইভ কন্টেন্ট সহ আরও কত কি।


আপনার একটা ইমেইল অবশ্যই আছে আর ইমেইল না থাকলে মোবাইল নাম্বার তো আছেই। সেই মোবাইলেও কিন্তু মাঝে মাঝে বিভিন্য ম্যাসেজ আসে, সেই ম্যাসেজ গুলোই হলো এস এম এস কন্টেন্ট আর ইমেইলে যে গুলো আসে সেগুলো ইমেইল কন্টেন্ট।


অনুরূপ ভাবে আমরা প্রতিদিন যে বিভিন্য ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট গুলো ভিজিট করি সেগুলোতেও আমরা অনেক অনেক আকর্ষণীয় বিষয়বস্তু দেখে থাকি। সেগুলোর সবই হল ওয়েব কন্টেন্ট। একটি ওয়েবসাইটে ইমেজ কন্টেন্ট থাকে যা গ্রাফিক্স ডিজাইনার রা তৈরী করে থাকেন, ভিডিও কন্টেন্ট থাকে যা ভিডিও এডিটর রা তৈরী করে থাকেন আর তারপর সবচেয়ে বেশি পরিমানে যে কন্টেন্ট থাকে তা হলো টেক্সট কন্টেন্ট আর সেগুলোই আমরা যারা কন্টেন্ট রাইটার আছি তারা তৈরী করে থাকি অর্থাৎ লিখে থাকি।

কি বুঝলেন?

বিভিন্য ইকমার্স সাইট, বিজনেস সাইট সহ সকল ধরণের সাইট বাদ দিয়ে পৃথিবীতে শুধু ব্লগ সাইটই আছে সাত লাখেরও বেশি।

আর যেকোনো ধরণের ওয়েবসাইটেই টেক্সট কন্টেন্ট বা আর্টিকেল থাকে সব চেয়ে বেশি। ইমেজ ছাড়া একটা ওয়েবসাইট হতে পারে, একটা সাইটে ভিডিও কন্টেন্ট নাও থাকতে পারে, কিন্তু টেক্সট কন্টেন্ট বা আর্টিকেল ছাড়া একটা সাইট তৈরী হতে পারে না আর ওয়েবসাইটের এই আর্টিকেল গুলো লিখালিখির কাজ টাকেই বলা হয় কন্টেন্ট রাইটিং।
আমার খুব প্রিয় একটা ইংলিশ সাইট হলো ওয়্যারকাটার (Wirecutter.com) আর বাংলা একটা সাইট হলো চড়ুই (Chorwe.com)।

এই ওয়েবসাইট গুলোতে যত আর্টিকেল বা ব্লগপোস্ট আছে তার সবগুলোই বিভিন্য আর্টিকেল রাইটার বা কন্টেন্ট রাইটার দিয়ে লেখানো। এরকম আরো প্রায় সাত লাখ ওয়েবসাইট আছে, আর এত এত সাইট চালু রাখতে কোটি কোটি ওয়ার্ড প্রতিদিন লিখা হচ্ছে।


বিভিন্ন জরিপের তথ্য মতে বিশ্বব্যাপী ব্লগিং বা ওয়েবসাইট একটি অত্যন্ত লাভজনক ব্যাবসা, তাই খুব দ্রুত এই ব্যবসাটা জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কিন্তু সেই হারে কনটেন্ট রাইটার তৈরী হয়নি। একারণেই অনলাইনে কন্টেন্ট রাইটিং বেশ নির্ভরযোগ্য একটি সেক্টর।


বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড়ো মার্কেটপ্লেস ফাইভারে গেলে দেখতে পাবেন যে হাজার হাজার লোগো ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং বা ডিজিটাল মার্কেটিং এর গিগ রয়েছে, কিন্তু সেই হারে কন্টেন্ট রাইটিং গিগ খুবই কম দেখতে পাবেন। এদিক থেকেও খুব সহজেই কন্টেন্ট রাইটিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। কন্টেন্ট রাইটিংয়ে ক্যারিয়ার গড়ার বিভিন্য হ্যাক্স নিয়ে অন্য একদিন আলোচনা করবো। আজ এ পর্যন্তই। ধন্যবাদ।


কন্টেন্ট রাইটিং কত ধরনের হতে পারে?


কন্টেন্ট প্রথমত চার প্রকার। যথা –

১) ভিডিও কন্টেন্ট
২) অডিও কন্টেন্ট
৩) ইমেজ কন্টেন্ট
৪) টেক্সট কন্টেন্ট

এই চার প্রকার কন্টেন্টের ভিতর রাইটার হিসেবে আমরা শুধু টেক্সট কন্টেন্ট নিয়েই কাজ করবো। এই টেক্সট কন্টেন্টের আরেকটি নাম হলো আর্টিকেল। এই ধরণের কন্টেন্ট তথা আর্টিকেল বা টেক্সট কন্টেন্ট আবার (ক) ইনফরমেটিভ কন্টেন্ট (খ) এন্টারটেইনিং কন্টেন্ট ও (গ) পারসুয়েসিভ কন্টেন্ট এই তিন ভাগে বিভক্ত। তাহলে চলুন আমরা এদের মধ্যে প্রথম এবং শেষেরটি নিয়ে জেনে নেই।

ইনফরমেটিভ কন্টেন্ট: এই টাইপের কন্টেন্টের সাথে আমরা খুব ভালো ভাবে পরিচিত। বিভিন্য সময় আমরা বিভিন্য জায়গা ঘুরতে যাই আর কোনো জায়গা যাবার আগে সেখানে কিভাবে যেতে হয়, যাবার খরচ কেমন, সেখানে থাকা খাওয়ার খরচ কেমন – এই জাতীয় তথ্য গুলো আমরা গুগলে সার্চ করে থাকি। সেই সার্চ রেজাল্টে আমরা যে ব্লগ পোস্ট বা আর্টিকেল গুলো পেয়ে থাকি সেগুলোই ইনফোরমেটিভ কন্টেন্ট।

কোনো জায়গা সম্পর্কে, কোনো প্রোডাক্ট সম্পর্কে, কোনো সার্ভিস সম্পর্কে কিংবা অন্য যেকোনো বিষয় সম্পর্কে যে কন্টেন্টে বিভিন্য তথ্য উপস্থাপন করা হয় সেগুলোই ইনফরমেটিভ কন্টেন্ট। আমরা কোনো রেসিপি কিভাবে রান্না করবো কিংবা আমাদের মাথার উপর ঘুরতে থাকা ফ্যানটা কিভাবে পরিষ্কার করবো ইত্যাদি যে কোনো ইন্সট্রাকশনাল বা হাউ টু টাইপ কন্টেন্ট ও এই ইনফরমেটিভ কন্টেন্টের অন্তর্ভুক্ত।


এন্টারটেইনিং কন্টেন্ট: ভাইরাল কন্টেন্ট বলে আমরা যে কন্টেন্ট গুলোকে বুঝিয়ে থাকি তার বেশির ভাগই এই এন্টারটেইনিং কন্টেন্ট আর কিছু কিছু নিউজ কন্টেন্ট বা ইনফরমেটিভ কন্টেন্টের ভিতর পড়ে। যে কন্টেন্ট গুলো আমরা রিডারকে ইনফরমেটিভ কন্টেন্টের মতো কোনো কিছু শিখানো, জানানো বা এডুকেট করার জন্য নয়, বরং শুধুমাত্র আনন্দ দেবার জন্যই লিখে থাকি সেগুলোই এন্টারটেইনিং কন্টেন্ট।

পারসুয়েসিভ কন্টেন্ট: ওয়েব কন্টেন্ট বা অনলাইন কন্টেন্টের জগতে এই টাইপের কন্টেন্টই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। একজন রিডারকে হাজার হাজার প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের ভিতর থেকে নির্দিষ্ট কোনো প্রোডাক্ট ক্রয় বা সার্ভিস গ্রহণের প্রতি উৎসাহিত করে যে কন্টেন্ট গুলো লিখা হয় সেগুলোই হলো পারসুয়েসিভ কন্টেন্ট। রিভিউ আর্টিকেল বা অ্যামাজন প্রোডাক্ট রিভিউ আর্টিকেল ই হলো এই পারসুয়েসিভ কন্টেন্ট।
একজন নতুন রাইটার আর একজন পুরাতন রাইটারের পার্থক্যটা এখানেই ফুটে উঠে। একজন অভিজ্ঞ রাইটার একটা ইনফোরমেটিভ আর্টিকেলও যথেষ্ট পারসুয়েসিভ স্টাইলে লিখে থাকেন। পারসুয়েসিভ কন্টেন্টের মূল বিষয় হলো আপনার লিখাটি যথেষ্ট এনগেজিং হতে হবে যেন রিডার আপনার লেখাটি পড়ার পর আপনি যে প্রোডাক্ট নিয়ে কথা বলছেন সেটা কিনে নিতে আর দেরি না করে।

কন্টেন্ট রাইটিং এর উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্র


কন্টেন্ট রাইটারদের জন্য অনেক অনেক সুযোগ ও সম্ভাবনা রয়েছে। আপনি একটু খোঁজ নিলে জানতে পারবেন যে আপনার এলাকাতে বেশ অনেক গুলো ছোট ছোট কোম্পানি আছে যারা বিভিন্ন প্রোডাক্ট উৎপাদন করে।

তাদের প্রোডাক্টের ডিসক্রিপশন গুলো একটা ভালো প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির ডিস্ক্রিপশানের সাথে মিলিয়ে দেখলেই দুই কোম্পানির প্রোডাক্ট ডিসক্রিপশন লিখার পার্থক্যটা পেয়ে যাবেন। এখানেও কন্টেন্ট রাইটারদের একটা চাহিদা রয়েছে।


অনলাইনেও ঠিক তেমন প্রতিদিন নতুন নতুন হাজারো কোম্পানি আসতেছে, লাখ লাখ ব্যবসাই শপিফাই কিংবা ইবে স্টোরে নতুন নতুন প্রোডাক্ট আপলোড করছে। এই প্রতিটি প্রোডাক্টের জন্যই কন্টেন্ট রাইটার দরকার। এর বাইরেও বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট প্রমোশন এর ক্ষেত্রে ইমেইল মার্কেটিং করে থাকেন আর একেকটি ইমেইল ক্যাম্পেইন এর জন্য ১০০/২০০ বা তারও বেশি ইমেইল কন্টেন্ট দরকার হয় আর সেক্ষেত্রেও কন্টেন্ট রাইটার দের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।


আমরা ইউটিউবে নিয়মিত যে ভিডিও গুলো দেখি সেগুলোর বেশির ভাগ ভিডিও তেই আমরা যে কথা গুলো শুনে থাকি সেই স্ক্রিপ্ট গুলোও কিন্তু টেক্সট কন্টেন্ট।

অর্থাৎ সেই স্ক্রিপ্ট গুলো কন্টেন্ট রাইটার রাই লিখে থাকেন। তবে কন্টেন্ট রাইটিং এর সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হলো নিশ ব্লগ। এই ব্লগ গুলোতেই সবচেয়ে বেশি পরিমানে টেক্সট কন্টেন্ট দরকার হয়।
পরিশেষে আমরা এটা খুব সহজেই অনুমান করতে পারছি যে কন্টেন্ট মাত্র কয়েক প্রকার হলেও এর ক্ষেত্র অনেক অনেক বড়ো। অর্থাৎ কন্টেন্ট রাইটিং এ ক্যারিয়ার গড়ার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। ক্লায়েন্ট ম্যানেজ কিংবা কন্টেন্ট রাইটিং এ ক্যারিয়ার গড়ার বিষয়ে অন্য একদিন কথা বলবো। আজ এ পর্যন্তই। সাথে থাকার জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

Categories
Uncategorized BBlog

কি থাকছে প্রডাক্ট রিভিউ এর গুগলের আপডেটে?

চলে আসলো প্রডাক্ট রিভিউ এর গুগলের আপডেট!

শুরুতে বলে দিচ্ছি এটি কোন কোর আপডেট নয় আর এই আপডেট কোন প্যানাল্টি ও হবে না বলে জানা যাচ্ছে তবে র‍্যাঙ্কিং এ চেঞ্জ আসতে পারে। আপডেট শেষ হতে ২ সপ্তাহ এর মত লেগে যেতে পারে। আমি আমার সামান্য নলেজ থেকে বিশ্লেষন করছি, যদি কোন ভুল থাকে অবশ্যই ধরিয়ে দিবেন এবং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

তাহলে আমাদের জন্য কি করার উচিত?

আসলে বেশি কিছু করার দরকার নেই আগেও যা করার সেটি করতে হবে –ইন-ডেপথ রিসার্চ!

আসুন প্রত্যেকটি সাজেশান যা গুগল আমাদের দিয়েছেন সেটি নিয়ে আলোচনা করি

Express expert knowledge about products where appropriate

এই জায়গাটি EAT এর E-expertise কে বলা হচ্ছে আমরা জানি গুগল অথরিটি পছন্দ করেন এর মানে যদি আপনি অটোমোবাইল নিশ নিয়ে কাজ করেন তবে অথর এর বায়ো হবে একজন এক্সপার্ট কার-মেকানিক এর। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে যখন রাইটার রা লিখেন তখন তার লেখায় সেই এক্সপার্টনেস টা উঠে আসে না। লেখায় থাকে অনেক অপ্রাসংগিক বিষয় আর যদিও লেখা অনেক সহজ সাবলীল ও নির্ভুল হয় তবে সেই লেখায় রিলেভেন্সি না থাকায় গুগলের এলগরিদম এ যখন এন এল পি (natural language processing) দিয়ে যাচাই হয় তখন র‍্যাংকিং এ টিকে থাকে না

Show what the product is like physically, or how it is used, with unique content beyond what’s provided by the manufacturer?

প্রডাক্ট ডাইমেনশেন, ওয়েট আর ফিচার এর খুটি নাটি মেজারমেন্ট গুলো সংখ্যায় প্রকাশ করা। এই ক্ষেত্রে আমার বেশি কিছু বলার নেই। নিজের সাইটের জন্য ভাবছি স্পেসিফিকেশন এড করব আর সেখানে এই সংখ্যাগত ডাটা দিয়ে ইনপুট দিব দেখা যাক কি হয়। যাদের আগের আর্টকেল র‍্যাঙ্কিং হারাবে এই আপডেটের পর চাইলে আপনারা ও ট্রাই করতে পারেন।

Cover comparable products to consider, or explain which products might be best for certain uses or circumstances?

এই বিষয়ে, আমি যা করতাম সেটা অনেকে হয়তো করছেন, সেটি হচ্ছে ক্যাটাগরি বেসড রিভিউ লিখা

Best for affordable
Best for portability
Best overall
Best runners up
Best for durability

এভাবে ক্যাটাগরি দিয়ে দিলে শুরুতে রিডার রা বুঝবে যে আসলে এই প্রডাক্ট এই ক্যাটাগরি তে এ+ পেয়েছে বা বেস্ট।

After catagorization, lets talk about which products might be best for certain uses or circumstances?

এদিকে বলে রাখা ভাল ফিচার গুলোর বেনিফিট এক্সপ্লানেশান যত বেশি রিয়েল লাইফ অরিয়েন্টেড হবে তত বেশি ভ্যালু এড করবে।

কিভাবে?

example: As the vacuum has its handle at the end, use it only for occasional spot cleaning. For the aggressive usage, it might cause Carpal Tunnel Syndrome.

যারা স্যাস বেসড সাইট নিয়ে কাজ করছেন মানে সার্ভিস দিচ্ছেন আর চাচ্ছেন আপনাদের সার্ভিস গুলো সার্চ ইঞ্জিনে প্রমোট হউক এদের জন্য একই আপডেট কাজ করবে।

প্রডাক্ট রিভিউ সিংগেল ও রাউন্ড-আপ দুই টাইপে এই আপডেট কাজ করবে

Discuss the benefits and drawbacks of a particular product, based on research into it?

এই নিয়ে বেশি কিছু বলার নেই শুধু বলব সঠিক উপায়ে প্রস এন্ড কন্স বাছাই করুন।

Describe how a product has evolved from previous models or releases to provide improvements, address issues, or otherwise help users in making a purchase decision?

এই জায়গায় মনে হচ্ছে সবার কাজ করার মত জায়গা আছে। একটি প্রডাক্ট এর অনেক গুলো আপডেট আসে।

দেখা যায় আগের জুসার মেশিন-এ ছিল ৩টি সেন্ট্রিফিউগাল ব্লেড ও একটি মটোর এখন আপডেটে হয়েছে ৪টি ব্লেড আর একটি সেমি-কন্ডাক্টর মটোর।

এইভাবে একটা প্রডাক্ট ডেভেলপমেন্ট এর লাইফটাইম বা Evolution পর্যালোচনা করার জন্য আলাদা হেডিং দিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।

সব শেষে হচ্ছেঃ

  • Identify key decision-making factors for the product’s category and how the product performs in those areas? For example, a car review might determine that fuel economy, safety, and handling are key decision-making factors and rate performance in those areas.
  • Describe key choices in how a product has been designed and their effect on the users beyond what the manufacturer says?

    দুইটি বুলেট পয়েন্ট এর মূল বিষয়ই হচ্ছে রিয়েল লাইফ ইউজার দের থেকে প্রায়োগিক যে বিষয়গুলো সেটি-কে তুলে ধরা। খুবই দারুণভাবে লিখে বুঝিয়ে দিয়েছে!

Categories
BBlog

কন্টেন্ট রাইটিং কাজকে আনন্দদায়ক করার উপায় কি হতে পারে?

বিরক্তিকর কাজ আমরা কে না এড়িয়ে যাই, যদিও না এর থেকে লাখ টাকা আয়ের ব্যবস্থা থাকে?

রাইটিং কিন্তু একটি বিরক্তিকর কাজ যদি এটি কেবল মাত্র আয়ের জন্য হয়।

এই জন্য অনেকে এই কাজ টি থেকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর অন্য ক্যারিয়ার-এ মুভ করেন।

কিন্তু কিছু না কিছু তো থাকা দরকার যার জন্য আমরা অন্তত সাপ্তাহে একটি লেখা ও অনেক টান টান উত্তেজনা নিয়ে লিখতে পারব, নাকি?

এই কাজ-টির জন্য কয়েকটি বাধা আমি তুলে ধরছি,

প্রথম বাধা

আপনার ক্লায়েন্ট স্যাটিস্ফাইড, মানে আপনি যে আর্টকেল দিচ্ছেন সে সেটি ইজিলি নিয়ে নিচ্ছে।

এমন যদি হত, আপনার ক্লায়েন্ট আপনার লেখার ভুল ধরছেন অথবা পরামর্শ দিচ্ছেন যে আরো কি উপায়ে লেখার মান বাড়ানো যায়?

দ্বিতীয় বাধা হচ্ছে-

আপনি শুধু লিখছেন কিন্তু আপনি বড় বড় রাইটার দের লেখা পড়ছেন না যাদের থেকে আপনি মোটিভেটেড হবেন।

৩য় বাধা হচ্ছে-

যেহেতু আপনি লেখার মান বাড়াচ্ছেন না এর মানে আপনার আয় বাড়ছে না। যেহেতু আয় বাড়ছে না সেহেতু আপনি ডি-মোটিভেটেড হয়ে যাচ্ছেন

৪র্থ বাধা হচ্ছে-

আপনার কোন পার্সোনাল ওডিয়েন্স নেই যার সাথে আপনি সুখ দুঃখের আলাপ করতে পারেন।

মানে আপনার নিজের কোন পোর্টফোলিও নাই এবং আপনি রেগুলার সেখানে আর্টকেল লিখছেন না। কারনঃ এর জন্য আপনি কি টাকা পাবেন?

আপনার রাইটিং পোর্টফোলিও যদি আপনার একটি পরিচিতি হয় তবে আপনার ব্লগিং হবে সেটিকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়া।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে আমরা খুব বেশি তাড়াহুড়া প্রবণ এবং আমরা কাজ করার আগে এর ফল নিয়ে বেশি ভাবি।

এবার তো গেল অনেক ঝামেলা নিয়ে কথা তবে সমাধান কি হতে পারে?

ক্লায়েন্ট এর জন্য লেখা এর পাশা পাশি নিজের জন্য লিখুন মানে নিজের পোর্টফোলিও ভারী করার জন্য সময় দিন।

আপনি জানেন একটি লেখা আপনি লোকাল ক্লায়েন্ট এর জন্য লিখেন ১০ ডলার এ তাই হয়তো সেই ১০০ ডলার এর শ্রম আসে না।

তবে যদি আপনি স্বপ্ন দেখেন একদিন আপনি ১০০ ডলার পার থাউজেন্ড ওয়ার্ড এ আর্ন করবেন যা আপনি তিলে তিলে সাজাচ্ছেন, হউক না সেটি আরো ৫ বছর পর?

বাই দ্যা ওয়ে, আপনারা কি মিডিয়াম এ লেখা এখনো জারি রেখেছেন, নাকি দুই চারটি ব্লগ পোষ্ট লিখে আশা ছেড়ে দিয়েছেন?

একটি সহজ সমাধান হচ্ছে, আপনি সেই বিষয় নিয়ে লিখবেন যার ট্রাফিক ভ্যালু আছে অপর দিকে আপনি সেটি নিয়ে সাচ্ছন্দ্য প্রকাশ করেন।

Categories
BBlog

রাইটিং এ সফলতার চূড়ায় পৌঁছুতে একজন মেন্টরের নিকট থেকে যে যে সুবিধাগুলো আদায় না করলেই নয়

শিরোনাম দেখে যাই মনে হোক না কেন, চলুন আমরা আগে আমাদের শৈশব থেকে একটু ঘুরে আসি। শৈশব আর কৈশোরে আমরা অনেক ভালো ভালো স্কুলে পড়ার পরেও আমাদের প্রিয় মা বাবা কিন্তু আমাদেরকে প্রাইভেট টিচারের কাছে পাঠাতেন অথবা কলেজ বা ভার্সিটির কোন এক বড়ো ভাইয়াকে কিন্তু বাসাতেই নিয়ে আসতেন আমাদের পড়াশোনার গতি ঠিক করে দেবার জন্য।

যে অংকগুলো আমরা ক্লাসে বুঝতে পারতামনা সেগুলোই ওই ভাইয়ার কাছে কিন্তু খুব সহজেই বুঝে নিতে পারতাম। সেই ভাইয়া কিন্তু পরীক্ষার খাতায় আমাদেরকে অংক কোষে দিতেন না, কিন্তু ভালোবাসা দিয়ে ঠিকই সেই অংকগুলো আমাদের মাথার ভিতর ঢুকিয়ে দিতেন।

রাইটিং এর ক্ষেত্রেও কোর্স গুলোর ভূমিকাটা হয় কিছুটা স্কুলের ক্লাসের মতো। একটি কোর্স থেকে আমরা হয়তো অনেক সময় অনেক কিছুই বুঝে নিতে পারি না। আর সেজন্যই রাইটিং এর উপর অনেক অনেক কোর্স করার পরেও গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য একজন মেন্টরের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, ঠিক যেমন অনেক ভালো স্কুলে পড়ার পরেও আমরা ভাইয়া দের কাছে প্রাইভেট পড়তাম।

তাহলে চলুন এবার দেখে নেই মেন্টরের নিকট থেকে আমাদের কি কি সুবিধা নেয়া দরকার।

প্রথমেই মেন্টরের নিকট থেকে যে সুবিধাটা নিতে হবে সেটি হলো কাজের নিশ্চয়তা।

যখন একজন মেন্টর আপনাকে কাজের নিশ্চয়তা দিতে পারবেন তখন আপনার ভিতরে আর এই হতাশাটা থাকবে না যে, কষ্ট করে স্কিল ডেভেলপ করার পর সেই স্কিল কাজে লাগানোর সুযোগ পাবো কি না।তার পরের বিষয়টি হলো নিশ আইডিয়া।

একটি কোর্স করার পর স্বভাবতই আপনার মনে হবে যে লাইফস্টাইল যেহেতু অনেক অনেক পপুলার একটা নিশ আর এখানে যেহেতু অনেক অনেক ক্লায়েন্ট রয়েছে তাই এই নিশ নিয়ে লিখলেই মনেহয় অনেক ক্লায়েন্ট পাওয়া যাবে। কিন্তু দুই চার দশ টা কোর্স কমপ্লিট করে ফেলার পরেও অনেক সময় এইটা বুঝা সম্ভব হয়না যে লাইফস্টাইল আসলে কোনো নিশ ই না।এখন বলতেই পারেন যে লাইফস্টাইল টা তাহলে কি? জি, লাইফস্টাইল টা নিশ না, এইটা হলো নিশের দাদী, অর্থাৎ মাদার নিশ।

এখন আপনি ই বলেন একজন সড়োসী তরুণ রাইটার হিসেবে আপনার বাচ্চা নিশ তথা স্পেসিফিক নিশ দরকার, নাকি বুইড়া নিশ দরকার। তাই আপনার মেন্টরের কাছে থেকে আপনার জন্য একেবারে পারফেক্ট নিশটি খুঁজে নিবেন।

তৃতীয় বিষয়টি হলো টপিক আইডিয়া।

আপনি কোনো রাইটিং কোর্স থেকেই এইটা জানতে পারবেন না যে আপনার নিশে বর্তমানে কোন কোন টপিক গুলো নিয়ে লিখা দরকার, কোন কোন টপিক গুলো নিয়ে লিখলে দেশ বিদেশের বড় বড় ক্লায়েন্টদের নজর কাড়া সম্ভব। তাই আপনার মেন্টরের নিকট থেকে অন্তত আপনার নিশ রিলেটেড শও খানিক টপিক আইডিয়া আদায় করে নিবেন।

এই জিনিসটা আদায় করে নিতে না পারলে আপনি দুই দিনে আপনার নিশ নিয়ে মাত্র দশ টা টপিক খুঁজে বের করার পর দেখবেন যে আপনার মনে হচ্ছে আপনি সবগুলো টপিক খুঁজে পেয়ে গেছেন।

চতুর্থ যে বিষয়টি আদায় করে নিবেন সেটি হলো আর্টিকেল স্ক্যানার

এই স্ক্যানার দিয়ে আপনি লাখ লাখ আর্টিকেলের ভিতর থেকে আপনার প্রয়োজনীয় আর্টিকেলটি খুঁজে বের করে নিতে পারবেন। আর এতে অপ্রয়োজনীয় আর্টিকেলের পিছনে আপনার সময় নষ্ট হবে না। অবশ্য সেই স্ক্যানার দিয়ে আপনি কতটা সুক্ষ ভাবে স্ক্যান করতে পারবেন সেটা আপনার দক্ষতার উপরেই নির্ভর করবে।

পঞ্চম বিষয়টি হলো আর্টিকেল টেমপ্লেট বা ফরম্যাট।

একেক ধরণের আর্টিকেলের জন্য একেকরকম ফরম্যাট আছে, আবার একই টাইপের আর্টিকেলের জন্যও আছে ভিন্য ভিন্য ফরম্যাট। এই ফরম্যাট গুলো বুঝিয়ে নিবেন মেন্টরের কাছে থেকে। তা নাহলে আপনার সব লিখাই একটা নির্দিষ্ট ধাঁচের ভিতরেই আটকে যাবে।

৬ষ্ঠহলো সবচেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ বিষয়

মাছ নয় বরং আপনার মেন্টরের থেকে শিখে নিবেন মাছে ভরপুর পুকুর গুলো কিভাবে খুঁজে বের করতে হয় আর কিভাবে সেই পুকুর থেকে মাছ শিকার করতে হয়।আপনার মেন্টর চাইলে আপনাকে ছয়মাস বা ছয় বছর বিজি রাখার মতো দুয়েকটা ক্লায়েন্ট দিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু ওই ক্লায়েন্টের প্রজেক্ট শেষ করার পর কি করবেন যদি আপনি আর কোনো ক্লায়েন্টই খুঁজে নিতে না পারেন? তাই আপনার মেন্টর আপনাকে ক্লায়েন্ট দিতে চাইলেও আপনি তা কখনোই নিবেন না। বরং কিভাবে ক্লায়েন্ট ম্যানেজ করতে হয় সেটা শিখে নিবেন।

৭ম বিষয়টি হলো টাইটেল

একটা কন্টেন্টের সফলতার পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান রাখে এই টাইটেল। তাই এই টাইটেল জেনারেট করার আর্ট টাও আপনার মেন্টরের সহায়তা নিয়ে রপ্ত করে নিবেন।

এখন যে বিষয়টি আপনার মেন্টরের থেকে আদায় করে নেবার কথা বলবো সেটার গুরুত্ব বলে শেষ করা যাবে না। 

৮ম কন্টেন্ট অডিট করার কৌশল

আপনার কন্টেন্ট টি প্রপারলি এস ই ও অপটিমাইজড কিনা, অপটিমাইজড না হলে কিভাবে তার অপ্টিমাইজেশান নিশ্চিত করতে হয়, কিভাবে একটা গার্বেজ আর্টিকেলকে এনগেজিং করে নেয়া যায়, কিভাবে একটা কন্টেন্টকে রেজাল্ট ওরিয়েন্টেড করা যায়, কন্টেন্টের ভিতর কিভাবে রিডার দের মনে থাকা প্রশ্ন গুলোর উত্তর দিতে হয়, এই বিষয় গুলো মেন্টরের নিকট থেকে অবশ্যই বুঝে নিবেন।

৯বম বিষয়টি হলো কোয়ালিটি ভ্যারিয়েশন

এইটাও কিছুটা গুরুত্ব রাখে। যেমন ধরুন, একটা টপিকের জন্য একজন ক্লায়েন্ট আপনাকে প্রতি হাজার ওয়ার্ডের জন্য ৫০০ টাকা অফার করলো আর আরেকটি টপিকের জন্য আরেকজন ক্লায়েন্ট একই পরিমান ওয়ার্ডের জন্য পাঁচ হাজার টাকা অফার করলো। দুই জনই আপনার স্যাম্পল দেখার পর আপনাকে কাজটা দিতেও পারে আবার দুজনই না ও করে দিতে পারে।

এখন এইটা নিশ্চিত যে একই ভাবে দুই জনকে ফলোআপ করলে হয়তো একজন না করতে পারে আবার হয়তো দুজনই রিজেক্ট করে দিতে পারে। তাই আপনার মেন্টরের নিকট থেকে বিভিন্য লেভেলের ক্লায়েন্ট ফলোআপ করার কার্যকর ট্রিক্স গুলো অবশ্যই শিখে নিবেন। (বিগ ফিশ ফ্যাক্টস)কমার্শিয়াল রাইটিং এর কোনো নির্দিষ্ট সিলেবাস নেই। তাই আপনি কখনোই একজন মেন্টরের নিকট থেকে এই রাইটিং এর এ টু জেড শিখতে পারবেন না।

আর রাইটিং থেকে আর্নিং করার জন্য এ টু জেড জানারও দরকার হয়না। যেটুকু দরকার সেটুকুও আপনি না চাইলে কেউ আপনাকে শিখিয়ে দিবে না, ঠিক যেমন বাচ্চা না কাঁদলে নিজের মাও দুধ দেয়না।আবার রাইটিং থেকে আর্নিং এর জন্য এক্সাক্টলি কি কি বিষয় জানা দরকার সেটাও নিজে নিজে বুঝতে পারা যায়না। তাই এটাও আপনার মেন্টরের নিকট থেকে জেনে নিবেন যে আপনাকে কি কি বিষয় জানতে, শিখতে ও আয়ত্ত করতে হবে।

এই বিষয় গুলো একজন মেন্টরের নিকট থেকে আদায় করে নিতে পারলে আমার মনে হয় রাইটিং এ সফলতা না ধরা দিয়ে থাকতেই পারবেনা।

Categories
BBlog

মিডিয়াম কি? Medium কেন একটি ভাল পোর্টফোলিও হতে পারে?

মিডিয়াম গুগলের একটি প্রপার্টি ইউটিউবের মত। ইউটিউবে আপনি ভিডিও দেখেন আর টাকা আয় করে ইউটিউবার ঠিক তেমনি মিডিয়াম এ আপনার লেখা পড়ে পাঠক আর আয় করেন আপনি।মিডিয়াম এ পোর্টফোলিও খুলা খুবই কার্যকর কারন আপনার লেখা যদি পপুলার হয় তবে এমনি ক্লায়েন্ট লাইন লাগিয়ে দিবে। তবে এর জন্য ভাল মানের লেখা লিখতে হবে আবার দীর্ঘদিন এই লেখা লিখে যেতে হবে ধারাবাহিকভাবে।

২০০ মিলিয়ন রিডার দের ঠিকানা এটি!এখানে আয় করার সূত্র হচ্ছেTime + Repetition + Quality = Success on Mediumআনোয়ার ভাই থেকে প্রথম জানতে পেরেছিলাম তাই উনি যদি সামনে লিখেন অনেক কিছু জানাতে পারবেন।রেগুলার একটি টপিকের উপর লিখে যেতে হবে যেটি তে আপনি সত্যি অনেক বেশি জানেন কিংবা ইন্টারেস্ট ফিল করেন।

কোন প্রডাক্ট নয়, বিভিন্ন লাইফস্টাইল নিয়ে লিখে যেতে পারেন। আপনার মতাদর্শের বেশ কিছু রিডার কে আপনার লেখায় যদি নিয়ে আসতে পারেন তবে মিডিয়াম আপনার জন্য কাড়ি কাড়ি টাকা দিবে নিশ্চিত।

আপনার ফলোয়ার যত বাড়বে আপনার আয় ও বাড়তে থাকবে এটাই একমাত্র রাস্তা।মিডিয়ামে আপনি মোটামুটি মানের আর্টকেল লিখে যদি শ-খানেক ক্ল্যাপ পেয়ে যান আর কিছু ফলোয়ার সেই লেখা দিয়ে আপনি মোটামুটি ভাল প্রাইসে দেশে বিদেশে পেয়ে যাবেন।

তাই, যারা কাজ পাচ্ছেন না বসে না থেকে মিডিয়াম এ লেখা শুরু করে দিন আজ থেকে।আমার মিডিয়ামে মাত্র একটি লেখা দিয়েছিলাম খুব ভাল রিসার্চ করে ৫২ এর মত ক্ল্যাপ পাই মানে ৫২ জন আমার লেখা ভাল ভাবে পড়েছে এবং ক্ল্যাপ দিয়েছেন।

এখন আমি যদি রেগুলার লিখতে থাকতাম আর আমার লেখার মান অন্তত সেম কোয়ালিটির হত তবে ১হাজার ক্ল্যাপ পেতে বেশি দিন লাগতো না। ভাবছি আমি মিডিয়াম এ কিছু লেখা দিতে থাকব।মিডিয়াম থেকে রেগুলার লেখা দিলে এভেরাজ রাইটার দের মত আপনি পেতে পারেন কমপক্ষে ১০০ ডলার কিছু মাস লিখে যেতে হবে।

তবে একদম লো এংগেজিং বা পড়তে ভালো লাগে না আর ইনফোরমেটিভ না হলে কোন ফল আসবে না।

মিডিয়াম-এ এস, ই, ও বলতে কিছু নেই সব রাইটার এর এবিলিটি।

আমাদের রাইটিং প্র্যাকটিস করার মূল উদ্দেশ্যই হলো আমাদের রাইটিং স্কিল ডেভেলপ করে ফরেইন ক্লায়েন্টদের জন্য কমার্শিয়াল স্ক্রিপ্ট লিখা। আমরা যদি আমাদের লিখা শুধুমাত্র ফেসবুক গ্রূপের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখি তাহলে আমাদের লিখা কখনোই কোনো ফরেইন ক্লায়েন্টের নজরে আসবে না।

কিন্তু মিডিয়াম এমন একটা রাইটিং প্লাটফর্ম যেখানে বিশ্বের প্রায় সকল দেশের অনেক বড়ো বড়ো রাইটার সময় কাটান। মিডিয়ামে আছে লাখ লাখ রাইটার, আর আছে প্রায় প্রতিটি নিশের সেরা সেরা রাইটার। তাই সেই সমস্ত রাইটার দের খোঁজে মিডিয়ামে প্রতিদিন হাজার হাজার ক্লায়েন্ট উঁকি দেন।আমরা অনেকেই আমাদের জীবনের প্রথম ক্লায়েন্ট পেয়েছি ফেসবুক গ্রূপ থেকে। ঠিক তেমন ভাবেই মিডিয়ামে সময় দিলে আমরা আমাদের জীবনের প্রথম ফরেইন ক্লায়েন্টের দেখা পাবো মিডিয়াম এ।

এজন্যই মিডিয়াম প্রফাইলটি প্রতিটি নিশ রাইটারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ।

আপনারা আপনাদের মিডিয়াম প্রোফাইল গুলো গ্রূপে শেয়ার করলে একটা প্রোফাইলকে প্রফেশনালি বিল্ডআপ করার গাইড গুলো আমরা শেয়ার করার সুযোগ পাবো।

তাই আপনারা যারা নিশ্চিত না যে মিডিয়ামে একটা প্রোফাইল কিভাবে সাজাতে হয় তারা চাইলে কমেন্টে আপনাদের মিডিয়াম প্রোফাইল শেয়ার করতে পারেন।

এতে অনেকেই প্রাইভেসি নিয়ে দ্বিধায় পড়তে পারেন। কিন্তু বাস্তবতা এটাই যে, আপনার মিডিয়াম প্রোফাইল যত বেশি মানুষ দেখবে, আপনার ক্লায়েন্ট খুঁজে পেতে তত বেশি সুবিধা হবে। তাই নির্দ্বিধায় আপনি আপনার মিডিয়াম প্রোফাইল শেয়ার করতে পারেন ।

মিডিয়াম নিয়ে আরো তথ্য কিংবা কোন সাপোর্ট লাগলে আমাদের ফেসবুক Group এ join করতে পারেন 🙂

Categories
BBlog

রাইটিং থেকে আর্নিং – সহজ নাকি খুবই কঠিন?

এটি এমন একটি বার্নিং কোয়েশ্চেন যার কোনো সঠিক উত্তর নেই। অর্থাৎ আমি যদি বলি সহজ তাহলে নিমিষেই একটা প্রাইমারি পাশ করা বাচ্চাও আমার উত্তরটা ভুল প্রমান করে দিতে পারবে, আবার আমি যদি বলি কঠিন তাহলেও বড় বড় সব রাইটার দের রেফারেন্স দিয়ে আপনারা আমার উত্তরটা ভুল প্রমান করে দিবেন।

তাই প্রশ্নটির উত্তর খুঁজতে না যেয়ে চলুন দেখি কিভাবে রাইটিং থেকে আর্নিং করা যায়।রাইটিং থেকে আর্নিং করার অনেক অনেক উপায় রয়েছে এবং জেনে আশ্চর্য হবেন যে টপ বিলিয়নায়ার দের মাঝেও কেউ কেউ এই রাইটিং থেকেই বিলিয়ন ডলার আর্ন করেছেন। সবগুলো উপায় তো আমার জানা নাই, আর যত গুলো জানা আছে তার সবগুলো একদিন এ লিখে শেষ করাও সম্ভব নয়।

তাই আজ সবচেয়ে সহজ একটি উপায় আর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য একটি উপায় এই মোট দুইটি উপায় নিয়ে কথা বলবো।

চলুন সহজটা দিয়েই শুরু করা যাক রাইটিং থেকে আর্নিং করার সহজ উপায়: 

রাইটিং এর উপর দক্ষতা অর্জন করার পর আপনি ফাইভারে একটি একাউন্ট তৈরী করুন। তারপর সেখানে রাইটিং এর উপর ২০/২২ টি গিগ তৈরী করুন। একদিন এ ১ টি মাত্র গিগ তৈরী করুন। গিগ ডিসক্রিপশন গুলো এমন ভাবে লিখুন যা পড়ে যেকেউ যেন আপনার রাইটিং স্কিল সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যায়।গিগ প্রাইস কিছুটা কম রাখুন প্রথম প্রথম। এতে অনেক ক্লায়েন্ট আপনার গিগ অর্ডার করার সাহস পাবে।

সাহসের কথা একারণেই বলছি যে কারো প্রোফাইলে যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো বায়ার রিভিউ দেখা যায়না ততক্ষন পর্যন্ত সেই রাইটারকে বিশ্বাস করাটা খুবই দুঃসাহসিক কাজ আর এত সাহস সবার থাকেনা

প্রথম দুইচারটা অর্ডার পেতে একটু সময় লাগবে। তারপর আর কোনো ঝামেলা পোহাতে হবে না। অর্থাৎ ডেইলি দুইচারটা অর্ডার পেয়ে যাবেন যদি প্রথম দিকের ক্লায়েন্টরা আপনাকে ভালো রিভিউ দিয়ে থাকে। এখুনি ফাইভারে যেয়ে রাইটারদের প্রোফাইল গুলো চেক করে দেখুন যে কয়টা করে অর্ডার তাদের প্রোফাইলে কিউ আছে তাহলে বিষয়টা আরো ক্লিয়ার হয়ে যাবে। এবার চলুন কঠিন উপায়টা একটু দেখে আসি।

রাইটিং থেকে আর্নিং করার কঠিন উপায়: 

ফাইভার থেকে আর্নিং করা কিছুটা সহজ, কারণ সেখানে কোনো পোর্টফোলিও দরকার হয়না। ফাইভার প্রোফাইলটাই পোর্টফোলিও হিসেবে কাজ করে।কিন্তু সেটা খুব বেশি নির্ভরযোগ্য নয়, বরং বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ একারণেই যে, যদি দুয়েকজন নেটিভ টপ ক্লায়েন্ট নেগেটিভ রিভিউ দিয়ে দেয় তাহলে সেই প্রোফাইল থেকে আর যাই হোক, রাইটিং এর গিগ এ অর্ডার পাওয়া খুবই মুশকিল হয়ে পড়ে। অনেক সময় তাই পুরাতন একাউন্ট বাদ দিয়ে অনেক কেই নতুন একাউন্ট তৈরী করতে দেখা যায়।

আবার অনেকেই আর এই ঝুঁকি নিতে চায় না বলেই এই কঠিন উপায় টাই বেছে নেয়।এই উপায়টা তুলনামূলক কঠিন কারণ এখানে আপনাকে আপনার পোর্টফোলিও টা খুব সুন্দর ভাবে সাজাতে হয়। ফাইভারে আপনার ক্লায়েন্ট আপনার প্রোফাইলে থাকা রিভিউ গুলো দেখে আপনার রাইটিং স্কিল এবং সার্ভিস কোয়ালিটি সম্পর্কে জানতে পারে। সেখানে নিজে নিজেই ফেইক রিভিউ অ্যাড করার কোনো সুযোগ থাকে না।

কিন্তু আপনার নিজের পোর্টফোলিও তে তো আপনি চাইলেই ইচ্ছা মতো রিভিউ অ্যাড করে নিতে পারেন। তাই আপনার এই পোর্টফোলিয়োটাকে বিশ্বাষযোগ্য করে তুলাটা একটুতো কঠিন হবেই।

কিন্তু যেহেতু এইটা একান্তই আপনার নিজের পোর্টফোলিও, তাই একবার এইটা প্রতিষ্ঠিত করে ফেলতে পারলে, অর্থাৎ বেশ কিছু পজিটিভ ফিডব্যাক নিয়ে আসতে পারলে এইটার জনপ্রিয়তা হারানোর আর কোনো ঝুঁকি থাকে না।

উপরন্তু আপনি কোন ক্লায়েন্টকে সার্ভিস দিবেন আর কোন ক্লায়েন্ট কে দিবেন না সেটা একান্তই আপনার বিষয়। কারো টপিক আপনার পছন্দ না হলে সেটা রিজেক্ট করার পূর্ণ স্বাধীনতা আপনার রয়েছে। অথচ মার্কেটপ্লেসে দুইচারটা অর্ডার রিজেক্ট করলে আপনার প্রোফাইলটাই সাসপেন্ডেড হবার ঝুঁকিতে পড়ে যায়।আর সর্বোপরি এখানে রয়েছে পূর্ণ স্বাধীনতা।

আপনি কখন লিখবেন, কতদিন পর ক্লায়েন্টকে আর্টিকেল সাবমিট করবেন, এই যাবতীয় বিষয় গুলো আপনার সম্পূর্ণ নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকবে যা আপনার রাইটিং কে করে তুলবে আরো প্রাণবন্ত। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কিভাবে এমন একটি নির্ভরযোগ্য রাইটিং পোর্টফোলিও তৈরী করা যায়।পোর্টফোলিও টাকে সিভির সাথে তুলনা করা যেতে পারে। আপনার সিভিতে যেমন আপনার সম্পর্কে যাবতীয় বিষয় উল্লেখ থাকে যা দেখে একজন নিয়োগকর্তা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে আপনাকে ভাইভাতে ইনভাইট করা হবে কি না, ঠিক তেমন এই পোর্টফোলিওতে আপনার রাইটিং স্কিল এর একটা পূর্ণ বিবরণ দেয়া থাকে যা দেখে একজন ক্লায়েন্ট এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেন যে আপনাকে কাজটা দেয়া যাবে কি না।

কিভাবে একটি পোর্টফোলিও তৈরী করা যায়: 

রাইটিং থেকে আর্নিং এর যেমন অনেক উপায় রয়েছে, পোর্টফিলিও তৈরিরও তেমন বেশ অনেক গুলো উপায় রয়েছে। তার ভিতর সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য উপায়টি এখানে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।ডোমেইন, হোস্টিং, কন্টেন্ট আর কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম – এই চারটা জিনিস দরকার একটা প্রফেশনাল আর রিলাইয়েবল পোর্টফোলিও তৈরির জন্য। এর ভিতর তিনটা জিনিসই স্ট্যাটিক তথা অপরিবর্তনীয় ও অপরিবর্ধনীয় আর শুধু কন্টেন্ট টাই ডায়নামিক তথা প্রতিনিয়তই পরিবর্তনশীল আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।শুধুমাত্র এই কন্টেন্টকে সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার জন্যই বাকি ৩ টি জিনিসের দরকার।

আচার কিংবা আইসক্রিম যেমন বিভিন্ন দোকানে কিনতে পাওয়া যায় ওই ৩ টি জিনিসও তেমন দেশ বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে কিনতে পাওয়া যায়।ডোমেইন, হোস্টিং রেজিস্ট্রেশান করার পর কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ইন্সটল করে আপনার পোর্টফোলিওটি আপনার জন্য ব্যবহার উপযোগী করে গড়ে তুলতে ঘন্টা খানিক সময় লাগতে পারে। ইউটিউব দেখে আপনি নিজে নিজেও করতে পারেন কিংবা আপনার মেন্টরের সহযোগিতা নিয়েও করতে পারেন।

ডোমেইন একটা নাম বৈ অন্য কিছুই নয়। বাচ্চা জন্মগ্রহণের পর যেমন আকিকা দিয়ে একটা নাম রাখতে হয় এইটাও ঠিক তেমন। আপনার পছন্দ করা নাম টা যাতে চাইলেই যেকেউ নিজের বলে চালিয়ে দিতে না পারে সেজন্যই রেজিস্ট্রেশান বা নিবন্ধন করে নিতে হয়।অর্থাৎ আপনার নিজের নামটি অনামিকা (আমার পছন্দের এমন একটি নাম যে নামের কেউ আমার ফেসবুক বা বাস্তব জীবনের ফ্রেন্ডলিস্টে কিংবা কোনো লিস্টেই নাই তাই এই নামটি নিলাম, আপনার নামের সাথে মিলে গেলে মাফ করবেন প্লিজ) হলে আপনি অনামিকা, বাইঅনামিকা, রাইটউইথঅনামিকা, ডাইরিঅফঅনামিকা বা এরকম যেকোনো একটা ডোমেইন বেছে নিতে পারেন।হোস্টিং হলো মোবাইলের মেমোরি কার্ডের মতো। আপনার পোর্টফোলিওতে আপনি যে কন্টেন্ট গুলো রাখবেন সেগুলোর ডাটা আপনার হোস্টিং এ সংরক্ষিত থাকবে।

আর কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা WordPress টা হলো আপনার মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম এর মতো। এর সাহায্যে আপনি আপনার কন্টেন্ট গুলোকে খুব সহজেই সাজাতে পারবেন।এতক্ষনে আপনার পোর্টফোলিওটি আপনার ব্যবহার করার জন্য তৈরী হলো। এবার যে জিনিসটি বাকি থাকলো তা হলো কন্টেন্ট। প্রায় সবারই একটা প্রশ্ন থাকে যে কি লিখবো? সেই প্রশ্নের উত্তরটি এবার খুঁজে পাবেন। আপনার পোর্টফোলিও তে প্রথম যে কন্টেন্টটি দরকার তা হলো About Me

অর্থাৎ আপনার নিজের সম্পর্কে লিখুন। আপনার ছেলেবেলা, আপনার পড়ালিখা, আপনার ভালোলাগা আপনার সম্পর্কে যত বেশি সম্ভব লিখুন, যত গুছিয়ে সম্ভব আপনাকে তুলে ধরুন। এমন মাধুর্য মিশিয়ে লিখুন যেন সেটা পড়া মাত্রই আপনার ক্লায়েন্ট আপনার প্রেমে পড়ে যায়।এবাউট মি লিখার পর আপনি আপনার সার্ভিস পেজটি লিখে ফেলতে পারেন।

এই পেজে আপনি কত ওয়ার্ডের জন্য কত চার্জ করেন, কোন ধরণের আর্টিকেলের জন্য কত চার্জ করেন, কেন এত টাকা চার্জ করেন তার বিস্তারিত তুলে ধরুন।

কেন এত টাকা চার্জ করেন

সে বিষয়টি এই পেজের সবচেয়ে গুরুত্ব পূর্ণ দিক। আপনি কেন এত টাকা চার্জ করেন সেটা যদি ভালোভাবে এক্সপ্লেইন করতে না পারেন তাহলে ক্লায়েন্ট আপনাকে অবশ্যই আপনার প্রত্যাশা অনুযায়ী পেমেন্ট দিতে রাজি হবে না। অর্থাৎ এখানে আপনার স্কিল লেভেল টি খুব ভালো ভাবে ফুটিয়ে তুলতে হবে।এর পর আসবে ক্যাটেগরি।

আপনি নিশ্চই আপনার লিখালিখি একটা মাত্র ক্যাটেগরিতে সীমাবদ্ধ রাখবেন না। একটা মাত্র ক্যাটেগরিতে সীমাবদ্ধ রাখলে আপনার ক্লায়েন্টের সাথে সেই ক্যাটাগরি ম্যাচ করার সম্ভাবনা খুব কম থাকবে। আবার খুব বেশি ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করলেও আপনার বিশেষত্ব হারিয়ে যাবে। তাই তিন চারটা ক্যাটাগরি তৈরী করতে পারেন।আপনার যদি ছোট্ট বাচ্চা থাকে তাহলে বাচ্চা মানুষ করার প্রতিটি বিষয় আপনার খুব ভালো ভাবে মনে আছে। সেই ক্ষেত্রে আপনি প্যারেন্টিং ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করতে পারেন। এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি ক্যাটাগরি এবং এই ক্যাটাগরিতে কাজ করলে অনেক অনেক ক্লায়েন্ট পাওয়া যায়।

তবে একথা অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, একটি ক্যাটাগরি যতই পপুলার বা যতই ভালো হোক না কেন সবার জন্য সেটা উপযুক্ত নয়। আপনার জন্য যথোপযুক্ত ক্যাটাগরি গুলো নির্বাচন করার ক্ষেত্রে আপনার মেন্টরের সহায়তা নিতে ভুলবেন না। রাইটিং এ মেন্টরের ভূমিকা বাস্তব জীবনে অনেকটা ডাক্তারদের মতো, যাদের নিকট আমাদেরকে বার বার যেতে হয়।

পিতামাতারা যে শুধু প্যারেন্টিং টাই জানে, আর রান্নাবান্না কিংবা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে কিছু জানেনা এমনটা কিন্তু নয়। তাই আপনি কুকিং আর ক্লিনিং নাম দিয়ে আরো দুইটি ক্যাটাগরি তৈরী করে নিতে পারেন।এবার আসলো স্যাম্পল আটিকেল লিখার পালা। মার্কেটপ্লেসের বাইরে কাজ করতে গেলে এইটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর কি কি টপিক নিয়ে লিখবেন তা নিয়ে তো আর ভাবতে হবেনা। আপনার জীবনের অভিজ্ঞতা গুলোই আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ টপিক আর সেই টপিক গুলোর কোনটা দিয়ে শুরু করবেন আর কোনটার পর কোনটা লিখবেন তা নির্ধারণ করা আরো সহজ।প্যারেন্টিং এর পূর্বে কোন বিষয়টি আসে? নিশ্চয় প্রেগনেন্সি।

আপনার জীবনের সেই অভিজ্ঞতার কথাটা একটা আর্টিকেলের ভিতর খুব সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারেন। সে সময় টায় হাজবেন্ড হিসেবে কি করা উচিত, ওয়াইফ হিসেবে কোন কাজ গুলো বর্জন করা উচিত, আপনি সেগুলো কতটা ফলো করেছিলেন, এর ফলে সাধারণত ডেলিভারির সময়ে যে ঝুঁকি গুলো থাকে সেগুলো থেকে কতটা নিরাপদ ছিলেন, এই টুকিটাকি বিষয় গুলো ইনক্লুড করলেই প্যারেন্টিং এর উপর চমৎকার একটি ইউনিক আর্টিকেল লিখা হয়ে যাবে।

এভাবে প্রতিটা ক্যাটাগরিতেই দুই তিনটা করে আর্টিকেল লিখে ফেলুন। প্রতিটা আর্টিকেলের জন্য সুন্দর সুন্দর টাইটেল দিন। সব মিলিয়ে দশ বারোটা আর্টিকেল লিখা হলে এবার সেই টপিক গুলো গুগলে সার্চ করে করে অন্যদের আর্টিকেল গুলো খুঁজে বের করুন।তাদের আর্টিকেল গুলোর সাথে আপনার আর্টিকেল গুলোর তুলনা করুন, কোন কোন বিষয় গুলো আপনার আর্টিকেলে বাদ পড়েছে, তাদের টাইটেল গুলো কেমন, তারা কিভাবে একটার পর একটা বিষয় তাদের আর্টিকেলে ফুটিয়ে তুলেছে সেগুলো লক্ষ্য করে আপনার আর্টিকেল গুলো আপডেট করুন।

ফেসবুকের রাইটিং জব পোস্ট গুলোর দিকে দেখলে প্রায়শই চোখে পড়ে যে – এস ই ও জানা রাইটারদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। এই এস ই ও টি আসলে রাইটিং এর বাইরের কিছু না। আপনি যে টপিক টি নিয়ে লিখছেন সেই টপিক টির সাথে আপনার টাইটেল কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ, টাইটেলের সাথে ভিতরের লিখা গুলো কতটা প্রাসঙ্গিক, আপনার আর্টিকেলের মাঝে আপনি সাবটাইটেল ইউজ করেছেন কিনা, সাবটাইটেল গুলো মূল টাইটেলের সাথে সম্পর্কিত কিনা এই বিষয়গুলোর মান যাচাই ও উন্নয়ন করাই এস ই ও এর কাজ।

আপনার লিখার ভিতর এই সিম্পল কাজ গুলো যদি করা না থাকে তাহলে একজন ক্লায়েন্টকে আপনার আর্টিকেলটি পাবলিশ করার আগে অন্য আরেকজন রাইটার দিয়ে সাজিয়ে নিতে হয় বা অপ্টিমাইজ করে নিতে হয়। তাই ক্লায়েন্টরা সাধারণত এস ই ও জানা রাইটার দেরকে প্রাধান্য দেন।

আপনার নিজের ব্লগে আপনার আর্টিকেল গুলো যখন এমন সুন্দর ভাবে সাজিয়ে রাখবেন তখন ক্লায়েন্ট দের আপনার এস ই ও নলেজ সম্পর্কে ধারণা পেতে কোনো কষ্ট হবে না। এস ই ও শিখতে যে খরচ টা হবে তা দিয়ে নিজের পোর্টফোলিয়োটা তৈরী করে ফেলা টাই অনেক অনেক ভালো ডিসিশান।এবার আসলো হোম পেজ তৈরী করার পালা। এতদিন ধরে এতগুলো আর্টিকেল লিখেছেন, এবাউট মি লিখেছেন, সার্ভিস পেজ লিখেছেন, সেগুলো একেকটা একেক পেইজ এ ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

আপনার সিভি যেমন একটা কাভার লেটার এর সাথে সম্পৃক্ত করেন, আপনার এই হোম পেইজ টাও ঠিক তেমন।আপনার এবাউট মি থেকে শুরু করে স্যাম্পল আর্টিকেলের সবকিছুই এই হোম পেইজে সাজাতে হবে। আপনি ইউটিউব দেখেও আপনার হোম পেইজ টা সাজাতে পারেন আবার আপনার মেন্টর এর সাহায্য নিয়েও সাজাতে পারেন।এখন আপনার পোর্টফোলিয়োটা মুটামুটি রেডি। এবার এটাকে সমৃদ্ধ করার পালা আর ক্লায়েন্ট দের নজর কাড়ার পালা।

ক্লায়েন্ট দের নজর কাড়ার বিষয়ে অলরেডি একটা পোস্ট করেছি আর নজর কাড়ার আরো কিছু চমৎকার টিপস নিয়ে অন্য একদিন লিখবো।মজার বিষয় হলো আপনার পোর্টফোলিও ছাড়া আপনি যখন তাদের নজর কাড়ার চেষ্টা করবেন তখন তারা আপনাকে তেমন একটা মূল্যায়ন করবে না। কিন্তু আপনি যখন তাদেরকে আপনার স্যাম্পল আর্টিকেল দেখার জন্য আপনার পোর্টফোলিওটি ধরিয়ে দেবেন তখন এমনিতেই আর দশ জন রাইটার এর সাথে আপনার একটা পার্থক্য ও বিশেষত্ব তৈরী হয়ে যাবে। আর এই বিশেষত্বই আপনাকে আপনার প্রত্যাশিত অনারিয়ামের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

এমন আরো মজার মজার টিপস জানতে আমাদের Writing-Hacks ফেসবুক Group এ জয়েন করুন 🙂

Categories
BBlog

চমৎকার প্রোডাক্ট রিভিউ লিখার দারুন একটি উপায়

যেকোনো ধরণের আর্টিকেল লিখেই আর্নিং করা গেলেও প্রোডাক্ট রিভিউ এর উপর রাইটারদের আগ্রহটা একটু বেশি দেখা যায় এর কারণ এইটা লিখতে কিছুটা সহজ অথচ অনারিয়াম তুলনামূলক বেশি। তাই চলুন আজ দেখবো কিভাবে খুব সহজেই অনন্য সাধারণ প্রোডাক্ট রিভিউ লিখা যায়।

প্রথম ধাপ: 

একটা প্রোডাক্টের রিভিউ সাধারণত তারই লিখার আইনগত অধিকার আছে যিনি সেই প্রোডাক্ট টি ইউজ করেছেন। এই অর্থে আমরা রাইটাররা সত্যিই প্রতারক, কারণ আমরা সেটা ইউজ না করেই রিভিউ লিখে ফেলি।সে যাই হোক, রিভিউ লিখার জন্য আমরা যেহেতু প্রোডাক্টটা ব্যবহার করার সুযোগ পাচ্ছিনা তাই আমাদেরকে সেই প্রোডাক্ট সম্পর্কে গভীর ধারণা নিতে হবে। এই ধারণা পেতে আমাদেরকে সেই প্রোডাক্টের ম্যানুফ্যাকচারিং ওয়েবসাইট সহ বেশ কয়েকটি ইকমার্স সাইট খুঁজে বের করতে হবে।

অনেক সাইটে ইউজার ম্যানুয়াল সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া থাকে। ইউজার ম্যানুয়াল থেকে প্রোডাক্টটা ইউজ করার একটা ভালো গাইডলাইন পাওয়া যায়। তারপর তাদের কাস্টমার রিভিউ গুলো পড়ে দেখলে প্রোডাক্ট সম্পর্কে বেশ ভালো ধারণা পাওয়া যায়। এবার যে ধারণাটা পেলাম সেটাই লিখার পালা।

কিন্তু যদি এখনই লিখতে যাই তাহলে লিখার মান খুব একটা ভালো হবে না কারণ প্রোডাক্ট সম্পর্কে এখনো খুব বেশি কিছু জানা হয়নি। তাই এবার একটু বাইবেলে চোখ বুলাতে হবে। না না আমি সেই বাইবেলের কথা বলছিনা। আমি বলছি ওয়ারকাটার বা বেস্টরিভিউজ এর কথা।

তাদের রিভিউ গুলো এতটাই মানসম্মত যে অন্য যেকারো জন্য সেখান থেকে শিখার অনেক কিছু আছে।সেখানে ওই প্রোডাক্ট সম্পর্কে কোনো রিভিউ আছে কিনা সেটা খুঁজে বের করতে হবে। তাদের রিভিউ গুলো পড়ে দেখলে এই আইডিয়াটা চলে আসবে যে প্রোডাক্টটি সম্পর্কে কি কি তথ্য লিখার মাঝে ফুটিয়ে তুলতে হবে।যে ভুলটি করা যাবে না: অনেককেই দেখা যায় যে ঠিক তাদের মতো স্টাইল ফল করেই রিভিউ লিখে। বিষয়টা আসলে কেমন দেখায় তা একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করছি -একদিন বাসে বসে আছি, অনেক গরম আর অনেক জ্যাম। খুব বিরক্ত লাগছিলো। এমন সময় হঠাৎ কানে আসলো –

আমিতো ওই ফাইভ স্টার হোটেল যেইটা ছিল ওইটা বিক্রি কইরা দিসি। ফোনের ওপারে থেকে কি কথা আসলো সেটা এই জ্যামে জটে ভিড়ের মাঝে শুনা গেলোনা। তারপর শুনা গেলো, আরে বিক্রি করমুনা কিল্লাই, এহন কি আর ফাইভ স্টারের দিন আছে নাকি। এখন পেলেন কিনমু। টাকা পয়সা ম্যানেজ করতেসি। গুলশানের টাও তো বেইচা দিলাম। সব দিকের টাকা গুছায়া পেলেন কিনা ফালামু। দুয়েক সপ্তাহ টাইম লাগবো আরকি। (ভাষা ফ্যাক্টস, টাইম ফ্যাক্টস, প্লেস ফ্যাক্টস )

এই কথা গুলো শুনে বাসের অন্যান্য যাত্রীদের কি মনে হবে বলেনতো? আচ্ছা বাসের কথা বাদই দিলাম, আপনার কি মনে হচ্ছে বলেনতো। অথচ ঠিক ওই কথা গুলোই যদি প্রাইভেট চার্টারে বসে শুনা যেত তাহলে কিন্তু তেমন অস্বাভাবিক কিছুই মনে হতোনা।ঠিক তেমন, রিভিউ জগতের বাইবেল হিসেবে যাদেরকে গণ্য করা হয় তাদের সুর যখন সদ্য জন্ম লাভ করা একটা বাচ্চা সাইট থেকে ভেসে আসে তখনো রিডার দের এইটা বুঝতে বাকি থাকে না যে রাইটার কোথা থেকে কপি করেছে।

আচ্ছা আপনি কি এমন কখনো দেখেছেন যে একটা ইংলিশ সিনেমার প্রথম কয়েক মিনিট দেখেই আপনি বলে দিতে পারছেন যে এইটা অন্য কোন তামিল সিনেমা থেকে কপি করা হয়েছে?

রাইটিং এর ক্ষেত্রেও এই কোয়ালিটি টা বজায় রাখতে হবে। আর সেটা করতে না পারলে তো ভালো দাম পাওয়া যাবে না। আরেকটু ক্লিয়ার করে বলছি। ম্যানুফ্যাকচারিং সাইট আর ইকমার্স সাইট থেকে আমরা প্রোডাক্ট সম্পর্কে ধারণা পেলাম, সেখানকার কাস্টমার রিভিউ থেকে প্রোডাক্টটির সুবিধা আর দুর্বলতা গুলো জানতে পারলাম, আর বাইবেল থেকে জানতে পারলাম কি কি আমাকে উপস্থাপন করতে হবে। অর্থাৎ রিভিউ লিখার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু এখন আমার কাছে আছে।

দ্বিতীয় ধাপ: 

এখন এই সবকিছু সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার জন্য একটা আকর্ষণীয় মোড়ক দরকার। আর এই মোড়কটি হলো একটা ক্যারেক্টার যার সম্পর্কে বেশিরভাগ রিভিউ রাইটারদেরই কোনো ধারণাই থাকেনা। এই ক্যারেক্টারের একটা গুরুত্ব আছে বলেই রিভিউ সাইট গুলোর এবাউট মি পেইজে একটা মানুষের ছবি দেখতে পাওয়া যায়, কিন্তু রিভিউ পেইজে আবার সেই মানুষটাকে খুঁজে পাওয়া যায়না।রিভিউ লিখার সময় নিজেকে ওই প্রোডাক্টের একজন ক্রেতা হিসেবে কল্পনা করলে দেখবেন প্রথমেই যে কথাটি মাথায় আসবে সেটা হলো – এই প্রোডাক্টটি কি আমার জন্য ভালো হবে? আর ঠিক তখনি আপনার নিজের অবস্থানে ফিরে এসে প্রোডাক্টটির যথার্থতা চিন্তা করে দেখুন। আমার বয়স এত, সামনে ঈদ আসছে, অনেকদিন ধরে মামার বাড়ি বেড়াতে যাওয়া হয়না। মামাতো বোনটাকে তো মনে মনে পছন্দ করি, কিন্তু নাটের গুরুত মামানি। মামানিকে একটা গিফ্ট দিয়ে পটানোর ট্রাই করা যেতেই পারে।

কিন্তু তাকে কি গিফ্ট দেয়া যায়। এই কি গিফ্ট দেয়া যায় এইটা বের করতে গেলে মামানি সম্পর্কে আপনার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা দরকার। সেই তথ্য গুলো জানতে নানীকে ফোন দিলেন। আর অনলাইনের নানী হলো রেডিট। এখানে সব প্রোডাক্টের আসল ইউজারদের খুঁজে পাবেন। একটা প্রোডাক্ট থেকে তারা কি চায়, কেন একটা প্রোডাক্ট তারা পছন্দ করে এই বিষয়গুলো এখান থেকে জানতে পারবেন।তারপর যেই শ্রেণীর মানুষ সেই প্রোডাক্ট টা সবচেয়ে বেশি ইউজ করে আপনি সেই শ্রেণীর মানুষদের মতো একটা ক্যারেক্টার তৈরী করুন। ধরুন আপনি একটা রোলেক্স ঘড়ির রিভিউ লিখতে বসেছেন।

পর্যাপ্ত সময় রিসার্চের পিছনে ইনভেস্ট করার পর জানতে পারলেন যে গল্ফ খেলোয়াড়রা এই ঘড়িটি সবচেয়ে বেশি ইউজ করে।তাই এখন আপনাকে একজন গলফারের ক্যারেক্টার তৈরী করতে হবে। এমন একজন গলফার যে কখনো কোনো প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেনি। আপনি ভুল করে টাইগার উড্স কে আপনার লেখার মাঝে টেনে নিয়ে আসলে নির্ঘাত ফেঁসে যাবেন তার কারণ ওর সম্পর্কে সবাই সবকিছু জানে।এবার আপনার ক্যারেক্টারের নিত্যদিনের গল্প বলতে বলতে বলে ফেলেন যে একদিন লং শট এর সময় হাত থেকে স্টিক টা ছুটে গেলো আর সেই সাথে আমার দাদার দেয়া উপহার রোলেক্স টাও ফস্কে বের হয়ে আকাশে উড়তে লাগলো।

উড়তে উড়তে যেয়ে পড়লো লেকের ঠিক মাঝখানে।আমিতো ভাবলাম সব শেষ। কিন্তু বলবয় ডুবুরির ভূমিকায় যথার্থ দক্ষতা দেখিয়ে সেটি তুলে এনে যখন আমার হাতে দিলো আমিতো তখন হতবাক। পরে জানলাম যে লেকের পানির গভীরতা ছিল নাকি সর্বোচ্চ ৩০ মিটার অথচ আমার রোলেক্স ডেটোনার ওয়াটার রেসিস্ট্যান্ট ক্যাপাসিটি ৪০ মিটার। কিন্তু ১০ বছর পরেও যে এই ক্যাপাসিটি যথার্থতার পরিচয় দিবে সেটা নিঃসন্দেহে চমৎকার।এভাবে একটা চিত্র ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমেই আপনি আপনার রিডারকে বুঝিয়ে দিতে পারবেন যে ঘড়িটা গলফারের জন্য বেস্ট। এখন আসি ক্লায়েন্টের কথায়। ক্লায়েন্ট তো বলবেই এবার যে, একজন গলফার যে আমার পোস্ট টা পড়বে তার নিশ্চয়তা কি। তাই এখন আপনার তৈরিকৃত ক্যারেক্টারটি জাস্টিফাই করার পালা।

গলফারের সাথে অন্য খেলোয়াড় দের সামঞ্জস্য গুলো ফুটিয়ে তুলুন, এবার তাদের সাথে এভারেজ মিলিয়নায়ার দের ডেইলি রুটিন এমন ভাবে চিত্রায়ন করুন যাতে যার কাছে রোলেক্স নাই সে যেন নিজেকে অ্যাস্টন মার্টিনের ওউনার হিসেবে পরিচয় দিতে লজ্জাবোধ করে। (স্কিল ফ্যাক্টস )

এবার আশা করি আপনার ক্লায়েন্ট এর আর বুঝতে কোন অসুবিধা হবে না যে শুধু গলফার নয় বরং দুই চারটা ঘড়ি বেচে ভালো আর্নিং করতে পারলে সে নিজেও একটা রোলেক্স কিনে ফেলবে। আপনার আর্টিকেলটি কমপ্লিট হবার আগেই একটা সম্ভাব্য আউটলাইন দিয়েই আপনার ক্লায়েন্টকে হ্যাপি করে ফেলতে পারবেন।তৃতীয় ধাপ: ১০০ শব্দের ইন্ট্রো টি লিখে ফেলুন। এর ভিতর কিওয়ার্ড ন্যাচারালি এম্বেড করে দিন। তারপর প্রোডাক্ট প্রিভিউ সাজেস্ট করুন।

এর পর ৫০০ থেকে ১৫০০ শব্দের ভিতর জাস্টিফাই করুন একজন গলফার হিসেবে কেন আপনি রোলেক্স ইউজ করেন। এর ভিতর ঘড়ির বেশ কিছু ফিচার সেট করে ফেলুন।তারপর ২০০ থেকে ৩০০ শব্দের ভিতর রোলেক্স এর দুর্বলতা গুলো উল্ল্যেখ করুন। এর পর ৫০০ থেকে ১০০০ শব্দের ভিতর এইটা জাস্টিফাই করুন যে – হোয়াই রোলেক্স এন্ড নট অন্যকোনো ব্র্যান্ড। এখানে রোলেক্সের ইতিহাস থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক সাফল্য পর্যন্ত সবকিছু ঢুকিয়ে দিন।তারপর রোলেক্স এফোর্ড করতে না পারলে অন্য যে ঘড়ি গুলোর কথা ভাবা যেতে পারে সেগুলো ক্লায়েন্টের চাহিদা মতো ঝুলিয়ে দিন। প্রতিটি ঘড়ির জন্য ৩০০ থেকে ৫০০ শব্দ ইউজ করতে পারেন।

এইগুলোর জন্য আপনি ইন্ডিরেক্টলি বলেই দিবেন যে যেহেতু ইউজ করেননি তাই খুব ভালো জানেন না। অবশ্য ওগুলোর মাঝে দুইএকটা ইউজ করার অভিজ্ঞতা থাকতেও পারে। সেই ঘড়ি গুলোর রিভিউ ও একজন রিভিউয়ার হিসেবে নয় বরং একজন গলফার হিসেবে লিখুন।এর পর ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী লিখুন কিভাবে রোলেক্সের যত্ন নিতে হয়, হাত থেকে খুলার পর কোথায় রাখতে হয়, হাত থেকে পড়ে গেলে কি করতে হয়, আপনার কুকুর রোলেক্স নিয়ে দৌড় দিলে কিভাবে তাকে ম্যানেজ করতে হয় সহ আরো অনেক কিছু যা একজন সাধারণ রিভিউয়ার কখনোই জানতে পারেনা। 

আপনি নিজে একজন গলফার, পেট ওউনার, ফাদার আর ১৫ থেকে ২০ সন্তানের জনক হিসেবেই শুধু জানেন। (অর্থাৎ ফুটিয়ে তুলবেন সম্পূর্ণ ক্যারেক্টার)

এই ধরণের রিভিউ এর প্রধান সুবিধা হলো – রিভিউ লিখার সময় নিজের হাতে ঘড়িটি দেখতে পাওয়া যায় যা রাইটিং এর প্রতি ভালোবাসা এক অন্য স্তরে নিয়ে যায়। দ্বিতীয়ত, রিডারের কাছে আপনি যে একজন গলফার নয় আর সেই সাথে রোলেক্স ইউজার নয় সেটা প্রমান করার মতো কোনো স্কোপ থাকেনা। তৃতীয়ত, রিডার রাও খুব ভালো ভাবে জানতে পারে যে ঘড়িটি তার জন্য কতটুকু যথার্থ, যার ফলে রোলেক্স না কিনলেও আপনার সাজেস্ট করা অন্য ঘড়ি গুলোর থেকে কোনো একটা কিনে ফেলে অর্থাৎ কনভার্সন খুব ভালো হয়। কনভার্সন ভালো হলে ক্লায়েন্ট খুশি হয় আর ক্লায়েন্ট খুশি হলে পেমেন্ট বৃদ্ধি পায়।এবার প্রশ্ন হলো এই ধরণের রিভিউ লিখতে সময় কত লাগবে।

সময় একেকজনের একেকরকম লাগবে এটাই স্বাভাবিক। তবে নতুনদের জন্য এমন রিভিউ লিখা প্রায় অসম্ভব। এর জন্য শুধু ওই ধরাবাধা গুগলের ফার্স্ট পেজে আসা ব্লগ গুলোই নয় বরং ক্যারেক্টার টি তৈরী করার জন্য আট দশটা উপন্যাস পড়তে হয়, রিলেটেড ফিল্ডের বিভিন্য রেকর্ডস চেক করতে হয়। যার ফলে এই ধরণের প্রথম রিভিউটি লিখতে মাস খানিক ও লেগে যেতে পারে। তবে পরবর্তীতে এতটা সময় লাগে না। ৩ থেকে ৫ দিনের ভিতরেই লিখে ফেলা যায়।

নোট: 

আপনি যদি নতুন রাইটার হয়ে থাকেন তাহলে এই লিখাটির মাঝে আপনার জন্য একটা চমক আছে। এই লিখাটির মাঝে মূল অংশ কোনটি যা এই সম্পূর্ণ লিখাটিকে রিডারদের জন্য আকর্ষণীয় ও স্মরণীয় করে তুলেছে? আপনি যদি সে অংশটি খুঁজে বের করতে পারেন তাহলে একটি রিভিউ লিখার সময় হাজার হাজার তত্ত্ব উপাত্তের ভিড়ে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য গুলো খুঁজে বের করতে অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে। আর পুরাতন রাইটার হলে ভুলত্রূটি গুলো ধরিয়ে দিবেন প্লিজ!

এমন আরো ইনফোরমেটিভ আর্টিকেল পেতে আমাদের সাথে রাইটিং হ্যাক্স ফেসবুক Group এ জয়েন করুন :) 

Categories
BBlog

গুগল এডভান্সড সার্চ করার কিছু টিপস

প্রতিনিয়ত আমাদের বিভিন্ন প্রয়োজন এ Google এ search করার প্রয়োজন পরে। ধরুন আপনার ১ টি মোবাইল কেনার প্রয়োজন – তো আপনি Google Search Bar এ লিখলেন Best mobile in 2020. এই সার্চ এর বিপরীতে আপনি কমপক্ষে ২০ লাখ রেসাল্ট পাবেন। এই ২০ লাখ রেসাল্ট থেকে আপনার চাহিদা অনুযায়ী উত্তর পেতে ভালই বেগ পেতে হবে নিঃসন্দেহে।এই সমস্যা শুধু আপনার একার নয় writer দেরও সমস্যাটা ভালই ভোগায়। সমস্যাটি থেকে উত্তরন এর কিছু সম্ভাব্য বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হল।

১। Dash or Minus Symbol

Dash or Minus Symbol প্রতীক গুগল অনুসন্ধান ফলাফল থেকে নির্দিষ্ট শব্দ অপসারণ করতে ব্যবহৃত হয়। ড্যাশ প্রতীক ব্যবহার করে অনুসন্ধানকে সীমাবদ্ধ করার অনেকগুলি উপায় রয়েছে। আপনি যদি অনুসন্ধানের ফলাফলগুলিকে কোনও নির্দিষ্ট সাইট অন্তর্ভুক্ত না করতে চান তবে “news -site:cnn.com” এর মতো ক্যোয়ারীটি ব্যবহার করুন।

এটি অনুসন্ধানের ফলাফলগুলি থেকে সিএনএনকে বাদ দেবে এবং অন্যান্য সমস্ত প্রাসঙ্গিক ফলাফল প্রদর্শন করবে। অনুসন্ধান থেকে একটি নির্দিষ্ট শব্দ বাদ দিতে ড্যাশ প্রতীকও ব্যবহার করা যেতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, “LG -tv” টিভি বাদে সমস্ত এলজি পণ্যগুলির ফলাফল প্রদর্শন করবে।আপনি যদি ওয়েব পৃষ্ঠাগুলি সন্ধানের সময় গুগল কোনও শব্দ বাদ দেন তবে অনুসন্ধানের আগে – (বিয়োগ) ব্যবহার করুন। সাধারণ বাক্য গঠনটি নিম্নরূপ: (Keyword to search) -(Keyword to exclude)

২। $ Dollar Symbol

ডলার প্রতীকটি অনুসন্ধানের সময় উল্লিখিত দামের সাথে পণ্যগুলি পেতে ব্যবহার করা হয়। যেমন “LG $1000” এটি লিখলে আপনাকে এলজি থেকে যে সমস্ত পণ্য $1000 এর সেগুলো দেখাবে।

৩। + Plus Symbol

প্লাস প্রতীকটি মূলত Google+ পৃষ্ঠাগুলি অনুসন্ধান করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, “+webnots” অনুসন্ধান করা হয় তাহলে Google+ সাইটের অন্তর্গত page প্রদর্শন করবে । যদি অনুসন্ধান শব্দটির আরও বিস্তৃত ফলাফল বা অর্থ থাকে তবে Google+ সম্পর্কিত পৃষ্ঠা ছাড়াও অন্য সমস্ত সম্পর্কিত ফলাফল প্রদর্শিত হবে।+ চিহ্নগুলি রক্তের গ্রুপ গুলো স্বাধীনভাবে অনুসন্ধান করতে বা অন্য শব্দের সাথে মিলিত করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ: donors ab+ blood।

৪। @ At Symbol

@ প্রতীকটি মূলত টুইটার এবং অন্যান্য সামাজিক প্ল্যাটফর্মগুলি থেকে @ দিয়ে শুরু হওয়া ব্যবহারকারীর নাম সহ প্রাসঙ্গিক সামাজিক ট্যাগগুলি সন্ধান করতে ব্যবহৃত হয়। “@Webnots” অনুসন্ধান করে টুইটার ব্যবহারকারী প্রোফাইল থেকে প্রথম ফলাফলগুলি এবং সামাজিক সাইটের অন্যান্য ফলাফলও দেখা যাবে।

৫। # Hash Symbol

সংখ্যার চিহ্ন বা হ্যাশট্যাগটি মূলত সামাজিক মিডিয়া সাইটগুলি থেকে # দ্বারা উপস্থাপিত একটি নির্দিষ্ট শব্দযুক্ত সমস্ত প্রাসঙ্গিক পোস্টগুলিকে একত্রিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, “#storytime” অনুসন্ধানে “#storytime” সম্পর্কিত হ্যাশট্যাগযুক্ত সমস্ত post প্রদর্শন করবে।

৬। _ Underscore Symbol

দুই শব্দ সংযোগ করে গুগলে অনুসন্ধান করার প্রতীক হল Underscore। আপনি যখন “get_start” অনুসন্ধান করবেন তখন গুগল আন্ডারস্কোর ছাড়া “get_start” থাকা অথবা “getstart” সংযুক্ত সম্পর্কিত পৃষ্ঠাগুলি দেখাবে।

৭। ” ” Double Quotes SymbolDouble Quotes (“”)

উদ্ধৃতিগুলির মধ্যে উল্লিখিত সঠিক শব্দ বা বাক্যাংশ অনুসন্ধান করতে গুগলকে জোর করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, “fox and crane” এই বাক্যাংশ লিখে সার্চ দিলে এই নাম যুক্ত পৃষ্ঠাসমহের সমস্ত ফলাফল দেখাবে। গুগলও উদ্ধৃতিগুলির মধ্যে লিখা শব্দ গুলোর প্রতিশব্দ ব্যবহার করতে পারে যেমন “fox and crane” এর স্থলে “fox and stork” দেখতে পারেন ।

৮। * Asterisk Symbol* Asterisk Symbol

গুগলে ওয়াইল্ড কার্ড অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একক ক্যোয়ারিতে একাধিকবার ব্যবহার করা যেতে পারে এবং উদ্ধৃতিগুলির মধ্যেও ব্যবহার করা যেতে পারে। উদ্ধৃতি সহ “Fortune * the bold” অনুসন্ধান করলে অনুক্রম যথাযথ রেখে অন্য বাক্যাংশ (exact phrase) যুক্ত পৃষ্ঠাগুলি দেখানো হতে পারে যেমন * “favors” এর মতো অন্য কোনও শব্দ প্রতিস্থাপন হওয়া*।অনুসন্ধানের সময়, আপনি যদি শব্দগুচ্ছটিতে কোন কীওয়ার্ডটি স্থাপন করবেন তা সম্পর্কে নিশ্চিত না হন, আপনি wildcard * অনুসন্ধান ব্যবহার করে যে কোনও একটি শব্দের সাথে মিল রাখতে পারেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি আইফোনের বিকল্পগুলি অনুসন্ধান করতে চান এবং আপনি নিশ্চিত হন না যে “iPhone find and replace examples”, অথবা “iPhone search and replace examples” সন্ধান করবেন কিনা, তবে * ব্যবহার করে লিখুন “iPhone * and replace examples”.

৯। Range or Double Dots (..)

ধরুন আপনি মোবাইল খুজসেন $500 থেকে $700 এর মধ্যে, তাহলে Double Dots (..) দিয়ে সহজেই কাজটি করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ, Search “Mobile $500..$700” তাহলে আপনি পেয়ে যাবেন $500 থেকে $700 টাকার মধ্যে মোবাইলে collection।

১০। Tilde Symbol (~)

Tilde প্রতীক গুগল থেকে একটি কীওয়ার্ডের সাথে তার একই প্রতিশব্দ অনুসন্ধান করতে ব্যবহৃত হয়। অনুসন্ধান কীওয়ার্ডের আগে আপনাকে কেবল ~ চিহ্ন যুক্ত করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, ~tutorial দিয়ে সার্চ করলে গাইড, ম্যানুয়াল, রেফারেন্স ইত্যাদি সমার্থক শব্দগুলির জন্য ফলাফল প্রদর্শন করবে।

১১। Find Local Time of a City

আপনি যদি কোনও নির্দিষ্ট শহরে বর্তমান স্থানীয় সময় জানতে চান তবে গুগল অনুসন্ধান বাক্সে এই সিনট্যাক্সটি ব্যবহার করুন: time <city>উদাহরণস্বরূপ লস অ্যাঞ্জেলেসের বর্তমান স্থানীয় সময়টি দেখতে অনুসন্ধান বাক্সে “time Los Angeles” টাইপ করুন এবং এন্টার টিপুন।

১২। Use OR in Google Search

সরল পদগুলিতে দুটি কীওয়ার্ড সহ গুগল অনুসন্ধানে OR operator ব্যবহার করে ফলাফলের মধ্যে একটি বা উভয় কীওয়ার্ডই দেখা যাবে। উদাহরণ স্বরূপ. “DHTML OR Java” অনুসন্ধান করলে DHTML বা JAVA বা উভয়ই কীওয়ার্ড সহ সমস্ত পৃষ্ঠা দেখা যাবে।

১৩। Find Meaning or Definition of a Word

নিম্নলিখিত পদ্ধতিটি ব্যবহার করে গুগল অনুসন্ধান ব্যবহার করে যে কোনও কীওয়ার্ডের অর্থ বা সংজ্ঞাটি সন্ধান করা যায় যেমন:উদাহরণস্বরূপ “define: tech savvy” => এটি টাইপ করলে আপনাকে tech savvy কীওয়ার্ডের অর্থ বা সংজ্ঞা দেখাবে।

১৪। Mathematical Calculations using Google

গাণিতিক গণনাগুলি পৃথক সফ্টওয়্যার ব্যবহার না করে সরাসরি গুগল অনুসন্ধান বাক্স ব্যবহার করেও করা যেতে পারে। সাধারণ বাক্য গঠন নিম্নরূপ: Mathematical expression(number)।উদাহরণস্বরূপ সার্চ বক্সে sqrt (10) লিখলে ১০ এর বর্গমূলের মান প্রদান করবে।

১৫। Unit Conversion using Google

আপনি সরাসরি অনুসন্ধান বাক্সে এক ইউনিট থেকে অন্য ইউনিটে মান রূপান্তর করতে পারেন। বাক্য গঠনটি নিম্নরূপ: unit1 in unit2উদাহরণস্বরূপ, “kg in pound” অনুসন্ধান করা এক কেজির সমতুল্য পাউন্ড দেখায়। এখানে আরও কয়েকটি সম্ভাব্য রূপান্তর রয়েছে। যেমনঃ

  • km in mile
  • inch in feet
  • acre in square feet
  • sec in ms
  • kilobyte in byte

১৬। Search Based on File Type

“File Type” অপারেটরটি ব্যবহার করে যে কোনও নির্দিষ্ট নথির মধ্যে সহজেই কীওয়ার্ডগুলি সন্ধান করতে পারবেন।“Linux introduction filetype:ppt” অনুসন্ধানের ফলে কীওয়ার্ডগুলি“Linux introduction” সহ কেবল পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা হবে। একইভাবে, আপনি ডকএক্স, ডক, এক্সএলএস, এক্সএলএসএক্স, পিডিএফ এবং অন্যান্য ফাইলের প্রকার অনুসন্ধান করতে পারেন।

১৭। Find Weather of a City

লস অ্যাঞ্জেলেসের বর্তমান আবহাওয়া দেখতে “weather Los Angeles” অনুসন্ধান করুন।

১৮। Google Translator

Google Translator ব্যবহার করে একটি ভাষা থেকে অন্য ভাষায় কোনও শব্দ অনুবাদ করতে এটি ব্যবহার করা হয়, যেমনঃ translate <Word> into <Language>

১৯। Currency Conversion using Google

অনলাইন যে কোনও মুদ্রাকে অন্য মুদ্রায় তার সমতুল্য মান দেখতে পারবেন এই পদ্ধতি ব্যাবহার করে। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন ডলার থেকে সিঙ্গাপুর ডলারের সর্বশেষ রূপান্তর হারটি পরীক্ষা করতে “USD to SGD” লিখুন অনুসন্ধান বক্সে।

২০। Info: Search OperatorInfo: search operator

আপনাকে URL- এর সমস্ত প্রাসঙ্গিক তথ্য সরবরাহ করবে। “info:your-site.com” অনুসন্ধান অনুসন্ধানের ফলাফলের হোম পৃষ্ঠা প্রদর্শন করার সাথে নীচের তথ্যগুলি সন্ধানের জন্য লিঙ্কগুলি সরবরাহ করবে।

  • Google’s cached page of your-site.
  • Similar pages to “your-site” using “related:” search operator.
  • Pages linking to “your-site” using “link:” search operator.
  • Indexed pages of the “your-site” using “site:” search operator.
  • Find pages containing the keyword “your-site”.

২১। Site: Search Operator

এটি নির্দিষ্ট সাইট বা ডোমেনের জন্য Google search engine ডাটাবেসে সূচীত সমস্ত প্রাসঙ্গিক URL গুলি সন্ধান করতে ব্যবহৃত হয়।উদাহরণ: site:webnots.com“webmasters site:webnots.com”অনুসন্ধান করলে “webnots.com”. সাইট থেকে “webmasters” কীওয়ার্ড সহ ফলাফলগুলি দেখায়।

২২। Related: Search Operator

এটি আপনার অনুসন্ধান ক্যোয়ারিতে সাইটের সাথে মিল রয়েছে সে সমস্ত পৃষ্ঠা প্রদর্শন করবে। উদাহরণস্বরূপ, “related:cnn.com” টাইপ করলে সিএনএন এর অনুরূপ অন্যান্য সমস্ত নিউজ সাইটগুলি দেখায়।

২৩। Cache: Search Operator

আপনি “cache:page URL” টাইপ করে একটি ওয়েব পৃষ্ঠার cached page বের করতে পারবেন। এটি অনলাইনে available না হলেও পৃষ্ঠাটির অনুলিপি পেতে সহায়তা করবে।

নোটঃ কন্টেন্ট বিষয়ে ব্যক্তিগত যে-কোন প্রশ্ন থাকলে জয়েন করুন আমাদের Facebook Group

Categories
BBlog

আপনি এমাজন এফিলিয়েটের কোন নিশ নিয়ে লিখবেন?

A Journey To Become A Niche Expert




আপনি কি আপনার কম্ফোর্ট এরিয়াতে থাকতে চান? নাকি আজ এই নিশ তো কাল সেই নিশে কাজ করে মাথার স্ক্র ঢিলা করে ফেলতে চান?

IN THE LONG RUN WE ALL SHOULD FIND OUR NICHE/COMFORT ZONE

রাইটিং করার ক্ষেত্রে একাধিক নিশ নাকি একটি নিশ নিয়ে শুরু করবেন? হ্যা বলতে পারেন আমি তো কাজই পাচ্ছি না তবে কি করে চুজ করব।

বেশি না ৩ মাস একটি নিশ নিয়ে পড়ে থাকুন। জেনে নিন পপুলার কিছু নিশ যেমন ঃ

কিচেন

স্পোর্টস

টেক

অটোমোবাইল

হান্টিং

হোম ইম্প্রুভমেন্ট

গার্ডেনিং

টুলস

ফিশিং

সাইকেলিং/বাইকিং

পেট/Pet

আপাতত জানলেন যে আপনার জন্য কি কি নিশ রয়েছে হাতের কাছে। এবার ১ মাস সময় নিন প্রতিটি নিশ নিয়ে বেসিক নলেজ নেয়ার।

১ মাস পরঃ

ধরুন আপনি বিড়াল পছন্দ করেন এবং আপনি বিড়াল লালন পালন করেছেন আর এই নিয়ে লিখতে আপনার কোন রাইটিং ব্লকে পড়তে হবে না তবে এই নিশটি আপনার জন্য হতে পারে পারফেক্ট।

এবার হচ্ছে মাঠে নামার পালা Best Cat Food দিয়ে সার্চ করে জেনে নিন ৫টি অথোরিটি সাইট। এদের লেখা গুলো পড়ে নিন আগামী ১ মাস সময় নিয়ে।
এই এক মাস আপনার রাইটিং এর জন্য গোলা বারুদ যোগার করে নিবেন। কারন আপনি যখন ডিপলি পড়বেন তখন আপনি নেক্সট লেভেল এ বেশি রিসার্চ করতে হবে না।

পাশাপাশি আপনি রেডিট এর একটি সাব-রেডিটে জয়েন করে ফেলেন। সেখানে আপনি পেট লাভারস দের পেয়ে যাবেন জেনে নিন এরা কি কি প্রোডাক্ট ইউজ করে, কি খাওয়ায় কি ব্যবহার করে এমন।

নিশ Narrow করতে চাইলে সেটিও করতে পারেন ধরুন আপনি কিচেন নিশ নিয়ে শুরু করবেন এই নিশে অনেক প্রডাক্ট আছে যার মধ্যে গ্রিল মেশিন একটি। অথবা, এয়ারফ্রায়ার, টোস্টার এসব নিয়ে ও পড়াশুনা করতে পারেন।

Food>Kitchen>Grill>Top10Portablegrill.com
OrFood>Kitchen>Juicer>juicermania.com

তবে নিশ বেশি ন্যারো হলে স্পেসিফিক ক্ল্যায়েন্ট পেতে কষ্ট হতে পারে।এমন কিছু নিশ আছে যেগুলো বিগ নিশের মধ্যে পড়ছে না। এগুলো খুজে বের করতে পারলে করতে পারেন। যেমন-সুইং মেশিন, সুইমিং পুল, ফায়ারপ্লেস, ওয়েল্ডিং, ইত্যাদি

এখন হচ্ছে ক্লায়েন্ট হান্টিং এর পালা। আপনি Anwarul Azam ভাইয়ের লেখা গুলো পড়বেন। পোর্টফোলিও রেডি করতে এর থেকে ভালো টিপস আমার কাছে নেই।

তো দীর্ঘ সফর শেষে আপনার কাছে কি আছে এখন?

ডিপ নলেজ এবাউট পেট নিশ
একটি প্রফেশানাল পোর্টফোলিও সাইট

এখন শুরু হবে ক্লায়েন্ট এর কাছে আপনাকে মেলে ধরা। আমি হলে একটি ই-বুক বানাতাম আমার জানা মতে, যা যা জেনেছি ইন-ডেপথ ফ্রি ই-বুক

সেই ই-বুক করতাম অউটরিচ মানে টপ যেসব সাইট আছে এদের অথর দের মেইল করতাম।

এটি কঠিন পথ যদি সেই মানের রাইটিং কোয়ালিটি না থাকে আর অপেক্ষা না করেন তবে হয়তো চান্স পাবেন না।তবে, তবে আপনি অবশ্যই দেশি ক্লায়েন্ট পেয়ে যাবেন নিশ্চিত!

মিনহোয়াইল, অন-পেইজ এস-ই-ও কি বেসিক নলেজ নিয়ে নিন। আমি একটি পিডিএফ ডকে পাব্লিশ করে দিয়েছি, এটিও কাজে দিতে পারে।

যদি কেউ এই প্রসেস ফলো করে আশা করা যায় সে ভাল রেজাল্ট নিয়ে আসবে। তাই ক্লায়েন্টের পিছনে না দৌড়ে আপনি এই প্রসেসটি বাস্তবায়ন করেন দেখবেন উলটো ক্লায়েন্ট আপনাকে খুজছে।


বিস্তারিত এমন আরো তথ্য জানতে জয়েন করতে পারেন Writing Hacks Facebook Group

Categories
BBlog

কিভাবে এমাজন প্রোডাক্ট রিভিউ লিখবেন?

Writing Hacks facebook Group থেকে নেয়াঃ- আর্টিকেলটি যখন শুরু করছি ভাবলাম একসাথে লিখে ফেলব, কিন্তু না প্রায় অসম্ভব ব্যাপার হবে আমার মতে। কারনঃ ধীরে ধীরে লিখলে ডিটেলিং হবে দারুন আর একসাথে লিখলে কিছু মেইন পয়েন্ট হিট করবে আর বিগেনার দের জন্য ডেইলি সোপ-ই বেস্ট হবে। আর এই আর্টকেল শেষ করতে আমার অনেক দিন সময় লাগবে, আমি ভাবলাম আলাদা আলাদা পোষ্ট দিয়ে ফায়দা নেই।

আপনারা যারা এ টু জেড এমাজন রিভিউ এর Complete-Hacks জানতে চান তবে, স্টিক টু দিস।

তাহলে কি থাকছে?

১) অন-পেজ অপ্টিমাইজেশান বা আপনারা যারা বলেন SEO-Optimized Article

২) রিসার্চ কি করে করবেন কিভাবে করবেন? টুলস এন্ড ম্যানুয়েল কিছু ট্যাকনিক (আমার ব্যাক্তিগত প্রসেস ভাল নাও লাগতে পারে)

৩) এমাজন প্রডাক্ট রিভিউ রাইটিং এর কমন ভুলগুলো কি হতে পারে?

৪) ইন্ট্রো কি করে লিখবেন?

৫) মাল্টি প্রডাক্ট ও সিংগেল প্রডাক্ট আলাদা আলাদা ফরমেট ডিসকাশন

৬) ফিচার কি? কিভাবে ফিচার লেখা যৌক্তিক?

৭) ফিচার স্নিপেট কি এবং কেন?

৮) ফাইনাল ভারডিক্ট/সামারি/রেপিং-আপ বা অন্য যা কিছু বলেন।

৯) Proof-Reading

১০) ভাল রিভিউ লিখতে পারার কিছু অব্যথ টিপস

একটি আর্টকেল লেখার আগে আপনার হতে আসবে ইন্সট্রাকশান। ক্লায়েন্ট এর মূল উদ্দ্যেশ্য হচ্ছে আর্টকেল ফার্স্ট পেজে (সার্প) নিয়ে আনা একই সাথে আর্টকেল এংগেজিং, রিলেভন্ট থাকা যেন এর থেকে সেল আসে। তাই এস ই ও অপ্টিমাইজড আর্টকেল যদি হয় কিং তবে কুইন হচ্ছে আর্টকেল এংগেজিং হওয়া। রিভিউ আর্টকেলে আমি কিং থেকে কুইন কে বেশি মর্যাদা দিব।

১)শুরতে চলে যাই On-Page Optimization-এ

ক)মেটা ডেস্ক্রিপশানঃ

আপনি যখন কিছু সার্চ করেন সেই সার্চ কোয়েরী এর সাথে কিছু শব্দ প্রদর্শিত হয়। ইমেজে দেখুন।১৫৫ ক্যারেক্টটার কম/বেশি

আকর্ষনীয় মেটা Click Through Ratio বাড়াবে। আগে দর্শন-ধারী পরে গুনবিচারি- মেটা হচ্ছে ফার্স্ট ইম্প্রেশন।

মেটা কে আকর্ষনীয় করার হ্যাক্স হচ্ছে রিডার কে বাধ্য করা দেখ তুমি ডানে-বামে না তাকিয়ে এইখানে এসে পড় কারন তুমি যা চাচ্ছ আমরাই দিতে পারব-এই টাইপ

খ) মেইন কি-ওয়ার্ড (১টি হবে)
সাধারনত ইন্ট্রো/বডি/সামারিতে।

যা করণীয়ঃ
মেইন কি ওয়ার্ড অভার/আন্ডার অপ্টিমাইজড হতে পারবে না। সেক্ষেত্রে দুইটি বিষয় ফলো করতে হবে ঃ
ডেন্সিটি ও প্লেসমেন্ট

আপনি প্রতি এক হাজারে কতবার মেইন কি-ওয়ার্ড আনবেন সেটি হচ্ছে ডেন্সিটি আর কোথায় আনবেন সেটি প্লেসমেন্ট ধরে নিতে পারেন। আপনার ক্লায়েন্ট থেকে ইন্সট্রাকশান বুঝে নিন। গ) লং টেইল কি-ওয়ার্ড (একাধিক হবে কম সার্চ ভলিউমে)ঘ) ইন্টারলিঙ্ক-ইন-বাউন্ড/অউটবাউন্ডইনবাউন্ড হচ্ছে আমার নিজের সাইটের অন্য একটি আর্টকেলে নিয়ে যাওয়া আর আউটবাউন্ড হচ্ছে অপর এক সাইটে নিয়ে যাওয়া।

ইনবাউন্ড লিংক সাধারনত মার্কেটার করে থাকেন রাইটার নয়, তবে আপনি যদি এটি রপ্ত করতে পারেন সেক্ষত্রে আপনি প্রো রাইটার ক্লায়েন্ট বুঝে যাবেন।

ধরুন আপনি গাড়ির জন্য গ্রিজ নিয়ে লিখছেন এক পর্যায়ে বলছেন এই গ্রিজ ব্যবহারের পর গাড়ির অন্য কোন জায়গায় তেল চিট চিটে হয়ে যেতে পারেন তাই কোন ক্লিনার ব্যবহার করলে ভাল হয়, তবে ক্লিনার শব্দে একটা ইনবাউন্ড লিঙ্ক দিয়ে দিলে রিডার আপনার সাইটে ক্লিনার এর রিভিউ তে সরাসরি চলে যেতে পারবেন। এতে করে গুগল এর র‍্যাংকিং এ সুবিধা হবে কারন রিডার বেশি সময় স্টে করবে আপনার সাইটে। পাশাপাশি যদি ক্লিনার টি সেল হয়ে যায় মন্দ কি?

আউটবাউন্ড হচ্ছে এমন ইনফোরমেশন যা কিনা সত্যায়ন করতে ভালো অথরিটি সাইট এর রিকোমেন্ডশান থাকলে বেশ ভাল হয়।
আরেকটা কথা, রিসার্চ মানে “শুধুই” গুগলের প্রথম দশ রেজাল্ট দেখা নয়। অনেক ক্ষেত্রে ফলাফল Skewed হয়। আপনি যা দেখছেন তা মূলত ব্যাকলিংক এর কারসাজী। ভালো ব্যাকলিংক ওয়ালা সাইটই টপ এ থাকে। জেনারেলি সেগুলোর কনটেন্ট প্যাটার্ণ ভালো হয়। তবে সবসময় তা হবে, এমনটা নয়।অনেক ভালো সাইট, ভালো কনটেন্টওয়ালা সাইট দ্বিতীয় পেজ, এমনকি তৃতীয় পেজেও থাকতে পারে। This is a myth that only good content comes up first page. So go beyond it and look for the gems!

অন-পেইজ এর বিষয়ে আরো ডিটেইলস জানতে দেখুন

2) রিসার্চ কি করে করবেন কিভাবে করবেন?

সিংগেল প্রডাক্ট বা মাল্টি প্রডাক্ট যে প্রডাক্টই হউক না কেন, সেই প্রডাক্টটির রিভিউ লিখার ক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়ে রাইটাররা ফিচার গুলো রি-রাইট করে বসিয়ে দেয়।

অথচ এক্ষেত্রে কম্পিটিটর কি লিখেছে এবং এর থেকে বেশি ডাটা দেয়া বাঞ্চনীয়। পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গা থেকে কি করে ইনফরমেশন গেদার করবেন সেটিও রপ্ত করতে হয়।

এমাজন পেইজ
অন্যান্য ই-কমার্স সাইট
কম্পিটিটর দের ডেটা
ম্যানুফেকচারার ম্যানুয়েল
বিভিন্ন ফোরাম কোরা/রেডিট

এমাজন পেইজে কাস্টমার রিভিউ গুলো পড়লে একটা ভাল হ্যান্ডস অন রিভিউ লিখে ফেলা সম্ভব, সেক্ষত্রে মোস্ট রিসেন্ট এ ক্লিক করে ইনফো নিতে হবে কারন পুরোনো অনেক প্রবলেম নিউ আপডেটের সাথে সল্ভ হয়ে যেতে পারে।

আপনি যত বেশি কাস্টমার রিভিউ পড়বেন তত বেশি আপনি জানবেন সেই প্রডাক্টের প্রস অ্যান্ড কন্স গুলো

আরো ডিপে যেতে গেলে প্রডাক্টের ফিচার গুলো নিয়ে আলাদা আলাদা করে সার্চ করতে হবে।

ধরুন লুব্রিকেন্ট ওয়েল নিয়ে লিখছেন অটোমোবাইল নিশের জন্য। এখন শুরুতেই কিছু ইনফো আর্টিকেল পড়ে ফেলুন। যেমন লুব্রিকেন্ট ওয়েল কি কাজ করে আর গাড়ির কোন পার্টস এর জন্য কাজ করে ইত্যাদি, ইত্যাদি।

এভাবে প্রতিটি ফিচার আলাদা আলাদা করে ইন-ডেপ্থ নলেজ না নিয়ে যদি লিখেন তবে সেটা হবে রি-রাইট করা জগাখিচুড়ি টাইপ কন্টেন্ট যার জন্য কোন ভ্যালু এড হবে না।

যে কারনে একটি আর্টকেল সার্পে আসে সেটিকে গুরুত্ব দিন। সাধারনত মেইন কি-ওয়ার্ডে একটি আর্টিকেল ফার্স্ট পেইজে সাথে সাথে আসবে না। যার জন্য আসবে সেগুলো হচ্ছে লং টেইল কি-ওয়ার্ড

মজার বিষয় এই লং টেইল কি-ওয়ার্ডের সার্চ ভ্লিউম যদি ১০-২০ ও হয় সেখান থেকে ও সেল আসে।

আর লং টেইল কিওয়ার্ড আপনাকে আপনার ক্লায়েন্ট দিয়ে দিবে আপনার কাজ হচ্ছে এটিকে রিডার ফ্রেন্ডলি করে আর্টিকেলে নিয়ে আসা যা প্রাসংগিক হবে।

এখন প্রাসংগিক আর্টিকেল লিখতে হলে অবশ্যই আপনাকে রিসার্চ করতে হবে সেই ঘুর ফিরে রিসার্চ এর কাছেই চলে আসলাম আমরা। ‍‍‍

কেন আপনাকে ক্লায়েন্ট ১৫-২৫ ডলার পে করবে?

আপনি আপনার রিসার্চ স্কিল আর রিডার্স এংগেজমেন্ট- এই দুইটি বিষয়ের উপর যখন ফোকাস করে আর্টিকেল লিখতে পারবেন তখন সম্ভব। এতে করে কনভার্সন বেড়ে যাবে।

আমাদের ধ্যান-ধারনা থাকে শুধুমাত্র, রিভিউ রাইটিং এর উপর অথচ সম্পূর্ন বিষয়টি কপি-রাইটিং।

আমরা যতদিন না রিভিউ রাইটিং বাদ দিয়ে কপি রাইটিং করতে পারব ততদিন সেল বুস্ট হবে না আর রাইটার হিসাবে আর্নিং কে ও লেভেল আপ করতে পারব না।

অনেকে বলবেন আর্টিকেল না পড়ে শুধু টেবিল দেখে প্রডাক্ট চুজ করে কনভার্ট হয়ে যায়। হ্যা আমিও একমত, তবে গুগল এলগোরিদম এ সেই আর্টিকেল ই রেংক হবে যেটি প্রাসংগিক আর অনেক ডেটা-ইনফো বেসড করে লিখা হয়েছে।

‍আরো ব্রডলি যদি বলতে হয় ধরুন লুব্রিকেন্ট কোথায় কোথায় কেন ইউজ হয় অই সব বিষয় গুলো গুগল মার্ক করে হতে পারে। যেমন লুব্রিকেন্ট এর সাথে জড়িত আছে ঃ

disc brake wheel

water resistance

ball joints”

temperature range

brake wheel

৩) এমাজন প্রডাক্ট রিভিউ রাইটিং এর কমন ভুলগুলো কি হতে পারে?

রিভিউ রাইটিং খুবই জনপ্রিয় আমাদের দেশে আর দিন যতই যাচ্ছে রাইটার এর দাম ততই বাড়ছে। রাইটার আর মার্কেটার এর একটা অসম অনুপাত রাইটিং এর ভেল্যু আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে।

এই অসমতার মূল কারন হচ্ছে কোয়ালিটি রাইটার এর খুবই অভাব। প্রতি বছর দেশের এফিলিয়েট মার্কেটার যদি গড়ে ১০ জন বাড়ে রাইটার একজন ভালোভাবে রেডি হচ্ছে না।
আপনি যদি নতুন রাইটার হয়ে থাকেন কিছু বিষয় ফলো আপ করলে হয়তো আপনি ঝরে পড়া রাইটার এর খাতায় নাম লিখাবেন না।


১) একটি নির্দিষ্ট নিশ বাছাই করে সেই নিশের উপর নলেজ ডেভেলাপ করা।

২) বেসিক অনপেইজ এস ই ও নিয়ে ধারনা থাকা (মূলত অনপেইজ অপ্টিমাইজ করার কাজ রাইটার করে থাকে রাইটিং এর মাধ্যমে)

৩) রিসার্চ করার স্কিল ডেভেলাপ করা আপনি যদি আপনার নিশ নিয়ে আগে থেকে অনেক ধারনা নিয়ে থাকেন এখানে এসে কিছু এডভান্টেজ পাবেন নিশ্চয়।

৪) রাইটিং এ ফ্লো ধরে রাখতে পারা। একটি ফিচার এক্সপ্লেইন শেষ না করে অন্য ফিচার না নিয়ে আসা বা খুব দ্রুত জাম্প না করা।

৫) রিডেবিলিটি- ছোট ছোট মিনিংফুল সেন্টেন্স আনা বা বড় একটা সেন্টেন্স যদি লিখেন চেষ্টা করবেন সর্বোচ্চ ২০ শব্দের বেশি না হয় তারপর একটি খুব ছোট সেন্টেন্স নিয়ে আসেন তাহলে একটা ভেরিয়েশান আসবে লিখায়

৬) ওয়ার্ড চয়েজ- এটা বলা চলে এডভান্স রাইটার রাও ভুল করে থাকেন। বাক্যে শক্তিশালী শব্দ ও যথার্থ শব্দ চয়নের কোন বিকল্প নেই!

৭) ট্রান্সিশোনাল ওয়ার্ড- (Moreover, Besides, Afterward, Nonetheless, Not only,,, But also) এই শব্দ গুলো রিডার কে ধরে রাখে আর লেখার মধ্যে এক রকম এর বিরতি দেয়। এর সঠিক ব্যবহার করা বাঞ্ছনীয়।

৮) রিডারকে এংগেজ করার জন্য নিজে থেকে প্রশ্ন করা আর উত্তর দিয়ে দেয়া, এইটা ফিচার স্নিপেটে র‍্যাংক হতে সহয়াক তাই ক্লায়েন্ট অনেক সময় ডিমান্ড করে এই ভাবে লিখতে।

৯) মেইন ফিচার আর প্রস/কন্স এক নয় এবং গুলিয়ে ফেলা যাবে না।

১০) লিখার ফরমেট দৃষ্টকটু হওয়া যেমন ছোট ছোট সেন্টেন্সে লিখা বড় হলে প্যারা বাড়িয়ে দেয়া

এই ১০টি বিষয়ে যদি আপনি না জানেন বা ইমপ্লিমেন্ট করতে না শিখেন তাহলে কাউকে এপ্রোচ না করা কাজের জন্য। আপনার সময় এবং ক্লায়েন্টের সময় এর মূল্য আছে তাই নিজের সময় কে কাজে লাগান রাইটিং কোন ৮/১০ ফ্রিল্যান্সিং এর মত না এই স্কিল ডেভেলাপ হতে তুলনামূলক সময় লাগবে এই ভাবনা নিয়ে লেগে পড়ুন। আর যদি সেই ডেডিকেশান না দিতে পারেন তবে এই পেশা আপনার জন্য নয়।

কমন ভুলগুলো এখানে এক্সপ্লেইন করে দেয়া হয়েছে

৪) রিভিউ রাইটিং এর ইন্ট্রো কিভাবে লিখবেন?


কিভাবে শুরু করেছেন? একটা প্রশ্ন দিয়ে, নাকি প্রশ্নের পর প্রশ্ন দিয়ে?

নাকি, কৌতুক করে?নাকি ইগোতে হার্ট করে?নাকি ছ্যাবলামো করে?

আমার গুরুর ভাষায় একটা Demo দেইঃ

CLIENT বলেছেন LIMITED শব্দে ইন্ট্রো ইউজ করে সেটাকে মাইন্ড ব্লোয়িং করতে, একবার কিওয়ার্ড দিতে সেখানে। আমি লিখবোঃ

Want to have long-lasting protection & put a beautiful shine on your car?

Again, do you want to see no streaks, no scratches, and no smears on your car?

Then you need to come to know some of the best deals for coating. The best coating release your hard time, make the car more glossy, and keep the paint for a long time.

But how to get your hands on the top-notch car washer product?

Yes, it is hard to find, as you will be drowning in the midst of tons of them.

No worries, we are here to sort out the topcoat in our topcoat f9 reviews, all you need to do is to read between the lines.

এপিআই ফলো করেছি তো? জ্বি প্রথমে এরাউজ এরপর প্রিভিউ শেষে ইন্ট্রোডিউস।

৫) কিভাবে একটি SINGLE PRODUCT REVIEW ARTICLE লিখবো

শুরুতে কিছু কথা বলে রাখি, একদম নিউবি যারা এদের জন্য এই পোষ্ট না।

আপনারা যারা হাটি হাটি পা পা করে কিছু রিভিউ লিখেছেন হ্যা আপনাদের বলছি।

যেকোন আর্টিকেল ধরার আগে আগে বায়িং ইন্টেন্ট জানুন, কেন লিখবেন, কার জন্য লিখবেন, কোন বয়সের মানুষের জন্য লিখবেন, বুড়া নাকি জোয়ান, মেয়ে নাকি জেন্টেলম্যান সব কিছু।

হান্টিং সাইট এ লিখছেন?

এরা খুবি কাঠখোট্টা টাইপের মানুষ হয়, আপনার ফ্রেন্ডলি টোন এদের জন্য নহে।

এখন বইলেন না ইমরান ভাই ,
এমন প্রতিটি নিশের প্রতিটি রিডার দের ম্যান্টালিটি জাজ করতে হলে কি তাদের সাথে দেখা করব?

আজ্ঞে না, দেখা কেন করবেন। আপনি যে প্রোডাক্ট রিভিউ লিখছেন কাস্টমার রিভিউ গুলো পড়েন, সময় নিয়ে পড়ুন।

কাস্টমার যখন রিভিউ করে রেটিং এর সাথে ছোট্ট টাইটেল সেই টাইটেল টি যখন বড় হয় আমি তার দিকে লাফ মেরে যাই আগে।

৫ স্টার থেকে ৪ আর তার থেকে ৩ স্টার রেটিং বেশি বেশি পড়েন।

লাইফ হ্যাক্স থেকে পাওয়াঃ

এখন বলবেন কেন ভাই এত রিসার্চ? ক্লায়েন্ট দেয় ১০/১২ ডলার এত রিসার্চ কি পোষায়?

ভাই এখন পোষায় না কিন্তু এই রিসার্চ এর জন্য যখন আপনার আর্টকেল থেকে সেল আসবে ক্লায়েন্ট এর মাথা খুলে যাবে।

টপিক আর কিওয়ার্ড একই না?

জ্বী ভাই, ক্ষেত্রবিশেষে যা Topic তা-ই কিওয়ার্ড যেমন Best Mountain Bikes বা Best Baby Strollers.

কি ভেবেছিলেন?

ক্লায়েন্টের কিওয়ার্ড দিয়ে বোঝাবো?

আপাতত পাবলিক সম্পত্তি দুটো কিওয়ার্ড নিয়েই থাকেন।

যা-ই হোক, উপরের উদাহরণে Topic এবং Keyword একই। এক ভাবলে কোন সমস্যাই নেই।

ক্লায়েন্ট যখন আমাদের Topic দেন বলে অনেকে বলেন, তার থেকে বেশি উপযুক্ত কথা হলো, ক্লায়েন্ট আমাদের “Keyword” দেন।

সেই কিওয়ার্ড কে বানাতে হয় টাইটেল, যদি না পারেন আপনি হবেন মাইকেল 

আচ্ছা, কিওয়ার্ড পেলাম… এবার কি করবো? চলেন নিচে নামি। মানে, নিচের স্টেপ এ যাই।

একজন ক্লায়েন্ট মূলত যেভাবে আপনাকে ইন্সট্রাকশন দেন, তা হলোঃ

মেইন কিওয়ার্ড একটি আর কিছু এল এস আই।

লিখতে হবে–


ডেস্ক্রিপশান
প্রস
কন্স
ফিচার

কিন্তু যদি হয় সিংগেল রেডি টুবি মিংগেল উইথ বায়িং গাইড ।

যা যা আছে কম্পিটিটর দিয়েছে একটা দুইটা আনবেন রি-রাইট করে ছেড়ে দিবেন ?

না ভাই এই কাজ ভুলেও কইরেন না।

সিংগেল রিভিউ প্রডাক্ট এর উপর অনেক কিছুই নির্ভর করে বায়িং গাইড কি হবে।

আমি যা করি কাস্টমার রিভিউ এর যা আছে সব পড়ে ফেলি, অনেক সময় দেখি ৪ স্টার যারা দিয়েছেন আগে, এরা নতুন আপডেট করে ৫ স্টার মেরে দিসেন।

কেন?

লিখে ফেলেন সেই কেন এর কারন ফিচার কোনটা আপডেট পেল সেটা।
একটু এডভেন্স লেভেল মনে হচ্ছে? মাঝ খানে ক্লায়েন্ট ভাইজান রে poke করে বলে দেন, দেখুন মহাশয় আমি কিন্তু এই প্রসেস এ যাচ্ছি সেল আসলে দুই-এক ডলার অনারারি বাড়াবেন।

সব তো পেলেন…। তা, লিখবেন কিভাবে?

আমি একটা পয়েন্ট নিলে রিসার্চ করতে করতে লিখি। ধরেন ইন্ট্রো লিখতে শুরু করেছি, সেই ইন্ট্রোতে ভেতরে কি লিখবো এইটা নিয়ে Key Points Tease করি এবং আর্টিকেল এর প্রয়োজনীয়তা বোঝাই।Instruction এর ওপারে – যা করবেন না
তবে এই কাজটা রিস্কি। আপনি যদি সারাদিনে অনেক ক্লায়েন্ট সামলান আর একটার পর একটা Article লিখেন, এই কাজটা করতে গেলে হয়তো আপনার মনযোগ ভঙ্গ হবে। এতে কয়েকটা কাজ হতে পারেঃ

  • একই দিনে দু’জন বা তিনজন ক্লায়েন্টের কাজ করলে একই কথা, শব্দ, বাক্য, এবং সিনারিও মাথায় ঘুরতে থাকবে।

    দেখা যাবে দ্বিতীয় ক্লায়েন্টের ক্ষেত্রে একই কিসিমের শব্দ চলে আসছে লেখায়। এটাকে আমি বলি Word Pivoting
  • লেখায় একই ধরণের কথাবার্তা Monotony তৈরী করে।

যে কাজ কখনোই করবেন না–

It, That, Those এমন বার বার নিয়ে আসবেন না।

প্রায় সেম্পল পাই ইনবক্সে গুতা দিয়ে বলে —

I’m a native writer, work from 5 years and give you best content…………. উফ! কি জ্বালা।

স্যাম্পল দেইখা বেহুশ হইয়া পড়ে থাকি আধ ঘন্টা।

মাঝে মাঝে মন চায় ইনবক্সের গলা টিপে মেরে ফেলি।

যাই হোক,

ভুলেও রি রাইট করার চেষ্টা করবেন না, এগেইন সেইড।

মেইন্সট্রিম ভোকেবস ইউজ করবেন না। এই জন্য বলি ভাই বেশি বেশি বই পড়েন, রেডিট এ টাইম দেন দেখেন নেটিভ আপু-ভাইয়ারা কি ওয়ার্ড ইউজ করে।

খেই হারাবেন না, খুবই ইফেক্টিভ স্কিল। যেই ফিচার এ আছেন স্টিক টু থাকেন অন্য খানে জাম্প মারার মানে হয় না। অধিংকাশ রাইটার পারে না যারা পারে এরা চুম্বকের মত রিডার কে টেনে ধরে রাখেন, গ্রাভিটি মারাক্তক লেভেলের!!

Punctuation!! আপনি হয়তো জানেন না একটি কমার জন্য আপনি আপনার বাবা কেও খেয়ে ফেলতে পারেন।

কিভাবে?

I eat Papa

I eat, papa

৬) ফিচার কি? কিভাবে ফিচার লেখা যৌক্তিক?

ফিচার কি আমরা কম-বেশি সবাই জানি। আমার মতে, ফিচার হচ্ছে একটি প্রডাক্ট এর আলাদা আলাদা অবিচ্ছেদ্য অংশ যেগুলো জোড়া লাগিয়ে একটি সম্পূর্ন প্রডাক্ট রেডি হয়।

তবে ফিচার যে সব সময় বাইরে থেকে বুঝা যাবে বা একজন ক্রেতা কেনার আগে সেটা বুঝতে পারবে সেটা কিন্তু নয়।

তবে ফিচার বুঝুক আর না বুঝুক একজন ক্রেতা যা বুঝে আর কিনতে ইন্টারেস্টেড হয় সেটি হচ্ছে তার বেনিফিট।

আর রাইটার এর উদ্দেশ্য হচ্ছে সেই বেনিফিটটি যতটা রিয়েল লাইফ এর সাথে রিলেভেন্টলি তুলে ধরা যায়।

আবার কোন ফিচার টি আগে ব্যাখ্যা করতে হবে আর কোনটি পরে সেই মাইন্ড ম্যাপিং করে নেয়া ও জরুরি।

যেহেতু সব ফিচার সমান ভাবে গুরুত্ব পূর্ন নয় তাই একটি মূল ফিচার কে আগে তুলে এনে সেইটি হাইটলাইট করা যৌক্তিক হতে পারে। আবার একেক টা ফিচার এর জন্য আলাদা আলাদা ক্রেতারা আছেন সেইটি থেকে প্রডাক্ট বাছাই করে একদম প্রথম লাইনে এর বেনিফিট লিখে ফেলুন।

খেয়াল রাখতে হবে ডেস্ক্রিপশনের সাথে যা লিখে ফেলেছেন সেটি যেনো প্রস – এ না চলে আসে।

এমাজন এর প্রডাক্ট এর পেজের বাইরে আউট-অফ দ্যা বক্স রিসার্চ করতে হবে এর জন্য আছে-

  • প্রডাক্ট ম্যানুয়েল
  • ইউটিউব ভিডিউ
  • রেডিট অথবা কোরা

এমাজন এর রিভিঊ তে ৫ স্টার থেকে ৪ স্টার রেটিং কে গুরুত্ব দিয়ে থাকি আমি। যে একটি স্টার মিসিং থাকে সেটা কি জন্য এবং সেই ডাউন-সাইড এর ও ব্যাখ্যা দিয়ে যায়। এর মানে এই জন্য যে প্রডাক্ট সেল হবে না এমন নয় বরং রিভিউ এর নির্ভর যোগ্যতা বেড়ে যাবে।

ফিচার এক্সপ্লেইন করার সময় যত কম বোস্টিং ওয়ার্ডস কম ইউজ করবেন তত ভাল, মানে বার বার এক্সিলেন্ট, আমেজিং ফেন্টাবুলিস্টিক টাইপ শব্দ কে বুঝাচ্ছি।

আগে দর্শনধারী পরে গুনবিচারী, অর্থাৎ আগে প্রডাক্ট এর ডিজাইন কেমন এটা নিয়ে লিখতে থাকুন শেষ হলে পরের প্যারাতে কন্সট্রাকশান নিয়ে লিখুন। যদি এমন হয় কাস্টমার ডিউরাবিলিটি-অরিয়েন্টেড প্রডাক্ট পছন্দ করে তবে তাই করুন।

ফাইন্ড দ্যা মেইন ফিচার এন্ড এক্সপ্লেইন ইট সো, ইউর রিভিউ ওয়িল ফাইন্ড ইট’স কনভার্সন

৭) ফিচার স্নিপেট কি এবং কেন?

এস ই ও খুবই পরিবর্তনশীল আর এই পরিবর্তনের পিছেন কারন হচ্ছে ইউজার ফ্রেন্ডলি ভাবে সার্চ ইঞ্জিন কে গড়ে তুলা। সেই জন্যই হচ্ছে ফিচার স্নিপেট।ধরুন আপনি সাকিব আল হাসান এর বয়স জানতে চান সেক্ষেত্রে আপনি চাইবেন না কোন একটা ১হাজার শব্দের আর্টিকেল পড়ে সেই তথ্য বের করতে।

এর জন্য গুগল ফিচার স্নিপেট নিয়ে আসে যা আমাদের কে তিন ভাবে দেখায়।প্যারাগ্রাফলিস্টিংটেবিলগুগল অধিকাংশ ফিচার স্নিপেট দেখায় প্যারাগ্রাফ আকারে। বার্ট আপডেট এসে ফিচার স্নিপেট এর আরো চেঞ্জ আসে এবং সামনে আরো আসবে।

সর্বশেষ চেঞ্জ আসে কিছুদিন আগে। আপনি কি খেয়াল করেছেন যখন আপনার ক্লায়েন্ট FAQ অংশটা লিখার জন্য দেয় এর আন্সার গুলো ইউলো মার্কিং করে আসে?

আমার ব্যক্তিগত কিছু অবসারভেশানঃ

ইউলো মার্কিং করে আসা ফিচার স্নিপেটে আমি যা বুঝতে পারলাম সেটি হচ্ছে ৫০ শব্দের মধ্যে সহজ ভাবে যারা আন্সারটি দিতে পেরেছে এরাই বাজিমাত করেছে।

এর জন্য আমাদের যে বহুল প্রচলিত: আলাদা ভাবে আর্টিকেলের লাস্টে কেন FAQ জুড়ে দেয় আর জোর করে আন্সার লিখায় আমি সত্যি এর কারন খুজে পাই না।

অধিকাংশ রাইটার রা রিরাইট করে ছেড়ে দেন। কিন্তু মূলতঃ এর সঠিক প্রাক্টিস যা হবার কথা সেটি হয় না।অবশ্যই একটি আর্টিকেলের মূল উদেশ্য হচ্ছে রিডার এর আন্সার দেয়া এবং একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে অনেক ধরনের কোয়েরী থাকবে এটাই স্বাভাবিক

সেই এক বিষয়ে নানান প্রশ্নের উত্তর যখন খুব গুছানো আকারে আর্টিকেলে ধাপে ধাপে আসবে সেটাই কি বেস্ট প্রেক্টিস না?ধরুন আমি এস ই ও শিখতে চাই রিমোটলি অনলাইন ক্লাস করেএখন আমার জানার আগ্রহ থাকবে–

এস ই ও কি ঘরে বসে শিখা যায়?

এস ই ও বাসায় বসে শিখতে কত দিন লাগতে পারে?

কিভাবে আমি এস ই ও বাসায় বসে শিখতে পারি

অন-লাইন ক্লাস করে এস ই ও শিখা কি ইফেক্টিভ

এভাবে অনেক কোয়েশ্চেন কিন্তু চলে আসবে এবং সিকোয়েন্স মেনে চলে।আমার এই অবসারভেশনে ভুল থাকতে পারে তবে আমি চিন্তা করেছি একজন রেগুলার সার্চ ইঞ্জিন ইউজার হিসাবে।

আর রাইটার হিসাবে আমার মতে,

ফিচার স্নিপেট এর বেস্ট প্রেক্টিস পুরো আর্টকেল জুড়ে একটি বিশেষ কোয়েরী কে স্তরে স্তরে সাজিয়ে আনা সাথে আরো অনেক গুলো কোয়েরী এর আন্সার এর মাধ্যমে।

৯) আর্টকেল PROOFREADING করার ক্ষেত্রে কি কি বিষয় বিবেচনা করা দরকার?

১) ইন্ট্রো ১০০ শব্দের মধ্যে থাকা এবং এংগেইজিং হওয়া।

২। কিওয়ার্ড অপ্টিমাইজেশনঃ শুরুতে মেইন কিওয়ার্ড এর ডেন্সিটি ও কোথায় করা হয়েছে দেখা হবে। [Intro, Body and summary].

*মেটা ডেসক্রিপশন ১৫৫ ক্যারেক্টার (main Keyword)

* টাইটেল Attractive ও Relevant কিনা?

* Long tail keyword যথাযথ ভাবে এসেছে কিনা (অনেক সময় লেখক অপ্রাসংগিক ভাবে নিয়ে আসে্ন)

* Silo structure অনুযায়ী Interlink করা।

* External link থাকলে competitor কে দেয়া হল কিনা?

২। Sentence এ গ্রামাটিকেল error চেক করা হবে। (যেমনঃ স্পেলিং, পাঙচুয়েশন, রিডান্ডেসী, ইত্যাদি)[Manually & Grammerly]।

৩। প্রাসঙ্গিকতা যাচাইঃ সবচেয়ে গুরুত্ব দেওয়া হবে ও সময় ব্যয় হবে। যেন ভুল কোন তথ্য বা রি-রাইট আর্টিকেল কে বিবেচনা করে সংশোধন করা হয়।

*প্রস/ কন্স ও ফিচার এক নয় (correction হবে)।

*ফিচার গুলোর explanation সঠিক কিনা।

*সর্বোপরি প্রতিটি বাক্যের সাথে পরের বাক্যের মিলবন্ধন যাচাই করা হবে।

লিখতে, লিখতে হাপিয়ে গেসি! যদি মনে করেন কিছু বেনিফিট দিতে পারসি ধরেন মারেন কপি করেন (Site এর link :p) আর ছড়িয়ে দেন।

হ্যাপি রাইটিং 🙂

To be continue………..